খবর লাইভ : লোকসভা ভোটের আগে পরিযায়ী পাখির মতো দিল্লি থেকে উড়ে আসেন বিজেপির নেতারা। সেরকমই শুক্রবার বাংলা এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলার ন্যায্য পাওনা নিয়ে কোনও কথা না বলে ভোট প্রচারের অঙ্গ হিসেবে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। আর তারপরেই সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আসা পর্যন্ত সন্দেশখালিতে উস্কানি দিয়ে ইস্যু জিইয়ে রাখতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে, ছন্দে ফিরেছে সন্দেশখালি। গ্রেফতার হয়েছে অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান-সহ অন্যান্যরা। কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন এবং তৃণমূল। তারপরেও আরামবাগের জনসভা থেকে সন্দেশখালিকে ইস্যু করেছেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন, সন্দেশখালিতে মহিলাদের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অপরাধের সব সীমা লঙ্ঘন করেছে। তারপরেই পাল্টা মোদিকে তুলোধোনা করেছে তৃণমূল।
একের পর এক প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্ধ করেছে তৃণমূল।
• যখন মণিপুরে মহিলাদের বিবস্ত্র করে প্যারেড করানো হয়েছিল, পুরো দেশ আক্রোশে ফেটে পড়েছিল, তখন আপনার উদ্বেগ হয়নি?
• যখন উত্তরপ্রদেশে নাবালিকাদের ধর্ষণ করে, নৃশংসভাবে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, তখন আপনার উদ্বেগ হয়নি?
• যখন মহিলা কুস্তিগীররা একজন বিজেপি সাংসদের হাতে নিগৃহীত হয়েছিল, তখন আপনার উদ্বেগ হয়নি?
এরপরেই মোক্ষম প্রশ্নটি ছোড়ে রাজ্যের শাসকদল। বলা হয়, আপনার উদ্বেগ কি ঘটনা বেছে বেছে আসে, মোদিজি? দেশের মেয়েরা কি আপনার নিছক রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার?
বিজেপি-শাসিত রাজ্যে একের পর নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, খুনের ঘটনা ঘটছে। মণিপুরে তীব্র লাঞ্ছনার শিকার মহিলারা। দেশের জন্য পদক আনা মহিলা কুস্তিগীররা বিজেপি সাংসদের দ্বারা শারীরিকভাবে নিগৃহীত। কিন্তু এই সব ঘটনার নিয়ে নীরব মোদি। অথচ বাংলায় রাজনৈতিকভাবে জমি হারিয়ে অপপ্রচারের নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর তীব্র নিন্দা করেছে রাজ্যের শাসকদল।




