খবর লাইভ : রামমমন্দির প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার রামমন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটনের পর রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন মোদি। পরে উপস্থিত সাধুসন্ত এবং বিশিষ্ট অতিথি অভ্যাগতদের সামনে এক সভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ন্যায়বিচার মিলেছে। এর জন্য বিচারব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞ। রাম এতদিন তাঁবুতে ছিলেন। এবার তিনি মন্দিরে অধিষ্ঠিত হলেন। অনেক দেরি হয়েছে। তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। তিনি আমাদের ক্ষমা করে দেবেন বলে আমার বিশ্বাস। প্রভু রাম আমাদের দিয়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করালেন। বিধি মেনেই তৈরি হয়েছে মন্দির। এর পিছনে অনেক আন্দোলন, ইতিহাস রয়েছে। আমি করসেবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আরও পড়ুনঃ রামের টানে অযোধ্যায়? লোকসভা ভোটের আগে যোগীরাজ্যে ভাইচুং, তুঙ্গে জল্পনা
মোদি বলেন, আমাদের ত্যাগ-তপস্যায় নিশ্চয়ই কিছু খাদ ছিল। তাই আমরা এতদিন এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পারিনি। আজ বিজয়ের নয়, বিনয়ের দিন। তিনি আরও বলেন, অনেকে বলেছিলেন, রাম মন্দির তৈরি হলে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, তারা ভারতের স্বরূপ চেনে না। রাম আগুন নয়, রাম শক্তি। রাম একটা ভাবাবেগ, রাম একটা আন্দোলন, রাম রীতিনীতি, রাম আধার, রাম বিচার, রাম শৌর্য। রাম বিবাদ নয়, রাম সমাধান। রাম বর্তমানের নয়, রাম অনন্তকালের। রাম প্রবাহ, রাম বিশাল, ব্যাপক। রাম নিত্যতা। তিনি ত্যাগ, তিতিক্ষা এবং ভালোবাসার প্রতীক। এদিন কথা বলতে গিয়ে আবেগরুদ্ধ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ ভাষণে তিনি রামকে ভারতীয় ভাবাবেগের সঙ্গে জড়িয়ে দিয়ে বলেন, আজকের দিনে আমি দেশের ভবিষ্যতের দিশা দেখতে পাচ্ছি।
মোদি ছাড়াও ভাষণ দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, আমরা রামরাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হচ্ছি। আজ সেই পথের সূচনা হল। অযোধ্যা আজ আর গুলি-বোমার রাজ্য নয়. রামকথার রাজ্য। রামমন্দির প্রতিষ্ঠার পিছনে প্রধানমন্ত্রীর বিস্তর অবদানের কথা উল্লেখ করে যোগী বলেন, মোদিজি না থাকলে এই মন্দির হত না। অযোধ্যা মন্দিরের মহান্ত গোবিন্দ গিরি প্রধানমন্ত্রীকে মহাপুরুষ বলেও আখ্যা দেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১১দিন উপবাসে ছিলেন। গোবিন্দ গিরি ফলের রস খাইয়ে মোদির উপবাস ভঙ্গ করান।




