Special News Special Reports State

রাজীব কুমারের সারদা যোগের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর!

0
(0)

খবর লাইভ : লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের নয়া ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট দিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতার  দাবি, ‘গ্রেফতারি এড়াতে যিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁকে পুরষ্কৃত করলেন সারদা কেলেঙ্কারি সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী’।

একসময়ে কলকাতা পুলিশের কমিশনার ছিলেন। এবার রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রাজীব কুমার। কিন্তু নিয়মাফিক কেন্দ্রের কাছে তাঁর নাম পাঠানো হয়নি। সেকারণেই আপাতত ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন ১৯৮৯ সালের এই আইপিএস অফিসারকে।

আরও পড়ুনঃ ফের ইডির হানা! নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে শহরের দুই প্রান্তে জোর তল্লাশি
এদিকে ২০১৯ সালে সারদা মামলায় এই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তদন্তে নামে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  রাজীবকে জেরা করতে যখন তাঁর বাড়িতে যান তদন্তকারীরা, তখন প্রতিবাদে ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ‘লোকসভা ভোটের আগে সারদা মামলা তদন্তে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্যই রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে নিয়োগ  করা হল’।
সিবিআই সারদা মামলা হাতে নেওয়ার পর রাজীবের নাম জড়িয়েছিল তাতে। তার পর কখনও কলকাতা হাই কোর্টে, কখনও সুপ্রিম কোর্টে রাজীবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার মধ্যে অন্যতম— তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা। শুভেন্দু সেই অভিযোগকেই আবার টেনে এনেছেন। তাঁর দাবি, রাজীব সেই সময় সারদা মামলার একাধিক নথি নষ্ট করেছিলেন বলেই কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি।
শুভেন্দুর কথায়, ‘‘সারদার তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখনও বাইরে থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন রাজীব কুমার। তিনি তার প্রতিদান দিচ্ছেন।’’

এর পরেই রাজীব-মামলা ফের আদালতের নজরে আনার হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআইকে বলব, সুপ্রিম কোর্টে মামলা কেন উঠছে না? সুপ্রিম কোর্টে মামলা পেন্ডিং আছে। এই মামলা তোলার ব্যবস্থা করুন। এই মামলা যাতে সুপ্রিম কোর্টে ওঠে, তার জন্য আমরা যা করার করব।’’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *