National Special News Special Reports

কেন্দ্র-রাজ্য বৈঠক, সময়সীমা বেঁধে সমস্যার সমাধানে জোর মুখ্যমন্ত্রীর

0
(0)

খবর লাইভ : একশো দিনের কাজের টাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে আওয়াজ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত বকেয়া দেয় কেন্দ্র ও রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বসে বৈঠক করবেন সময়সীমা বেঁধে সমাধানে জোর দিয়েছে তৃণমূল। মঙ্গলবার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলা যাদের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেটে ১০০ দিনের টাকা বরাদ্দ করা হয়নি। বুধবার নয়া সংসদ ভবনে তৃণমূলে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ নয় তৃণমূল সাংসদ নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কেন্দ্র ও রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা আলোচনা করে সমাধান সূত্র বের করবেন বলে এদিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলার দাবি নিয়ে ফের আওয়াজ তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, “দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলা ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছে না। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও টাকা বন্ধ করে দিয়েছে।”

কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৫৫ টা কেন্দ্রীয় দল বাংলায় পরিদর্শন করেছে
কিন্তু কোন ত্রুটি খুঁজে পায়নি। কেন্দ্রীয়দলকে রাজ্যের তরফে সব ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তারপরেও টাকা দেয়নি কেন্দ্র। এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বাকি বাংলার বকেয়া। গরিবের টাকা বন্ধ করে রাখা ঠিক নয়- উস্মা প্রকাশ করে বলেন মমতা।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি আগেও তিনবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দেখা করেছি, এবারও দেখা করলাম।
প্রধানমন্ত্রী আজ বলেছেন তাদের আধিকারিক এবং আমাদের আধিকারিক মিলে যৌথ বৈঠক করবে”। এই বিষয় তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটার একটা সময়সীমা থাকা উচিত। সেই কথা সমর্থন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন দ্রুত বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী জানেন, প্রধানমন্ত্রী সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। এদিন বেলা ১১ টা থেকে ২৫ মিনিট প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক হয়। ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দশ জন সাংসদ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *