খবর লাইভ : ১৩ জন বিরোধী সাংসদের সাসপেনশনের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের লোকসভা থেকে ৩৩ জন বিরোধীদলের সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল। তার মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের ৯ সাংসদ। সাসপেন্ড করা হয়েছে কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা সংসদ অধীর চৌধুরীও। শীতকালীন অধিবেশনের জন্য বাকি দিনগুলির জন্য এঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। সোমবার, অন্য সব বিষয়ে সরিয়ে রেখে, বিল পেশ না করে সংসদ হানার বিষয়ে আলোচনার দাবি জানিয়ে লোকসভার অধিবেশনে আওয়াজ তোলেন তৃণমূল সাংসদরা। অধীর চৌধুরী-সহ বিজেপি বিরোধী সংসদরা তাঁদের সমর্থন করেন। এই ‘অপরাধে’ তাঁদের উপর নেমে এলো শাস্তির খাঁড়া।
যে তৃণমূল সাংসদের সাসপেন্ড করা হল
সৌগত রায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত মাল, প্রতিমা মণ্ডল, সুনীল মণ্ডল-
বিরোধীদের মতে, গণতন্ত্রের কণ্ঠ রোধ করতে চায় মোদি সরকার। জ্বলন্ত বিষয় আলোচনা না করে নিজেদের মনঃপূত বিল পাশই অধিবেশনের মূল লক্ষ্য কেন্দ্রের। সংসদ হানার মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি কোনও কিছুই না করে বিল পেশ নিয়ে সক্রিয় বিজেপি সরকার। তার বিরোধিতা করলেই সাসপেন্ড করে সংসদ বিরোধীশূন্য করতে চাইছে কেন্দ্র।
এর আগে রাজ্যসভার সাংসদ ডেকের ওব্রায়েন ও লোকসভার ১৩জন সাংসদ সহ মোট ১৪জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয় একই দাবিতে। এই নিয়ে মোট ৪৭ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল এই অধিবেশনে।




