Special News Special Reports State

অভিষেকের আয়ের উৎস কী? হাজার হাজার পাতার নথি কেন? প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার

0
(0)

খবর লাইভ : ইডি আদালতে জানিয়েছে, পাঁচ হাজার পাতার নথি জমা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১৪ ডিসেম্বর রিপোর্ট জমা দেবে ইডি। সিবিআই রিপোর্ট দেবে আগামী ২০ ডিসেম্বর। এর আগেই এই একই মামলায় বিচারপতির কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল ইডি-কে।

গত মাসেই কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি-র দফতরে ৫ হাজার পাতার নথি জমা করছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সব পড়ে তারপর প্রয়োজন হলে ইডি তাঁকে আবার ডাকবে, ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে এ কথাই জানিয়েছিলেন অভিষেক। ৯ নভেম্বর সেই নথি জমা পড়ার পর এক মাস কেটে গিয়েছে। কী পেল কেন্দ্রীয় সংস্থা? কতটাই বা এগোল তদন্ত? লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত মামলায় আরও একবার এই নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হল ইডি-কে। বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন তুললেন, কিছু যদি নাই থাকে, তাহলে এত নথি এল কোথা থেকে? তবে ইডি যে এখনও সে সব নথি পড়ে শেষ করতে পারেনি, সে কথা জানিয়ে দিয়েছে আদালতে।
এরপরই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন করেন, ‘এত নথিপত্র এল কীভাবে? কিছু না থাকলে এত নথিপত্র আসে কী? সেগুলি খতিয়ে দেখেছেন? কোথা থেকে এল? এত টাকার উৎস কী, সেটা দেখেছেন? সব সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর কীভাবে? এত অল্প সময় কীভাবে হল? আবার নিয়োগ দুর্নীতিও একই সময়। কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি?’
জবাবে ইডি-র আইনজীবীর ব্যাখ্যা, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে আগামী বৃস্পতিবার আদালতে মুখ বন্ধ খামে নথি জমা দেবেন তারা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্য বিজেপির জরুরি সাংগঠনিক বৈঠকে গরহাজির লকেট, জল্পনা তুঙ্গে
পাল্টা বিচারপতি সিনহা প্রশ্ন করেন, অভিষেকের আয়ের উৎস কী? ওই নথি থেকে তা কি উদ্ধার হয়েছে? জবাবে ইডি জানিয়েছে, ওই নথি থেকে প্রচুর লেনদেন পাওয়া গিয়েছে। বিচারপতি সিনহা জানিয়েছেন, সেগুলি আলাদা করে জানাতে হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত শেষ হবে কি না, সেই প্রশ্নও করেছেন বিচারপতি। বলেন, ‘আপনাদের তদন্তে আমি কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।’ জবাবে ইডি জানিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত শেষ করার চেষ্টা চলছে। তদন্তে প্রতি দিনই নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে।
বিচারপতি সিনহার পর্যবেক্ষণ, অধিকাংশ সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর থেকে বৃদ্ধি হয়েছে। আবার এই সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছে। দু’টোর মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখেছেন?
প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর কলকাতায় ইডির ম্যারাথন জেরা শেষে বাইরে বেরিয়ে অভিষেক বলেছিলেন, “হ্যাঁ, আমি এখনও লিপস অ্যান্ড বাউন্সের সিইও। শিক্ষা দুর্নীতির ১০ পয়সা ওই কোম্পানিতে ঢুকেছে, তা ইডি প্রমাণ করুক। চ্যালেঞ্জ করছি, কোনও দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারবে না সেন্ট্রাল এজেন্সি।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *