Special News Special Reports State

সিঁদুরে মেঘ, সিপিএমের যুবদের যাত্রায় তৃণমূলের ‘হার্মাদরা!

0
(0)

খবর লাইভ : বাঁকুড়া থেকে সোমবার রাতে যাত্রা পৌঁছেছিল জঙ্গলমহলের লালগড়ে। ধরমপুরের যে সিপিএম জোনাল অফিস জ্বলে গিয়েছিল ‘গণরোষে’, সেই পার্টি অফিসের সামনে রাত ৯টার সময়েও দেখা গিয়েছে ঠাসা ভিড়। সভায় ভাষণ দিয়েছেন যুব সম্পাদক মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। একাধিক ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, আদিবাসী মহিলারা মিছিলের সামনে উদ্দাম নাচছেন বাজনার তালে তালে। আর সেই মিছিলকে ফুল ছড়িয়ে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন নেতাই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ফুল্লরা। ফুল্লরার গায়ের পাল্টা গাঁদার পাপড়ি ছড়িয়ে দিয়েছেন পদযাত্রীরা। মঙ্গলবার সকালে ধরমপুর থেকে যখন যাত্রা শুরু হয়, তখন মিছিলে হেঁটেছেন অনুজ পান্ডে। সদ্য পায়ে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তাই বেশি পথ হাঁটতে পারেননি। তবে ডালিম পান্ডে ছিলেন সারাক্ষণ।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ফের বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

নেতাই গণহত্যা ঘটেছিল ২০১০ সালের ৭ জানুয়ারি। সিপিএম নেতা রথীন দণ্ডপাটের বাড়ি থেকে গুলি চালিয়ে ন’জন গ্রামবাসীকে হত্যার অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুজ, ডালিম, ফুল্লরারা। চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান তাঁরা। তার পরে গত বইমেলায় ফুল্লরাকে দিয়ে বইয়ের স্টল উদ্বোধন করিয়েছিল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই।

প্রসঙ্গত, সিপিএমের মধ্যে এই আলোচনা ছিল যে, নেতাই মামলায় জেলবন্দিদের জন্য দল সে ভাবে লড়ছে না। আইন-আদালতে দলের যে তৎপরতা থাকা দরকার, তা নেই। কিন্তু দেখা যায়, সুশান্ত ঘোষ পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক হওয়ার পরে তাতে নাড়াচাড়া পড়ে। যে সুশান্ত নিজে বেনাচাপড়া কঙ্কালকাণ্ডে জেলবন্দি ছিলেন। যিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ডায়েরি লিখে দল থেকে সাসপেন্ডও হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, যে সময়ে নেতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল, তখনও লালগড় ছিল পশ্চিম মেদিনীপুরে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *