খবর লাইভ : রাজ্য প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে শুক্রবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সেই বেসুরো মন্তব্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র জানালেন, কুণাল কী বলেছেন, তা তিনি জানেন না।তিনি এই বিষয়ে কথা বলার ‘অথরিটি’ নন।
শনিবার ফিরহাদ বলেন, “কুণাল কী বলেছে জানি না। সরকার সরকারের বিষয়ে কথা বলবে। আমি এ বিষয়ে কথা বলার অথরিটি নই।” তাঁর এই ‘অথরিটি নই’ বার্তাকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।আগামী ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের তরফে এই সভার বিষয়ে আপত্তি জানানো হলেও উচ্চ আদালতে তা ধোপে টেকেনি। তার পর ওই দিন বিকেলেই কুণাল বলেন, ‘‘দলের সৈনিক হিসেবে আমি মনে করি, ২১ জুলাই ওখানে (ধর্মতলা) সভা করার অধিকার তৃণমূলের রয়েছে। আবার নাগরিক হিসেবে আমার মনে হয়, একটা দল করলে বাকিরা করবে না কেন? আদালত তো আইনের চোখেই দেখছে।’’
কুণালের মতে, বিজেপিকে সেই প্রচারটা পাইয়ে দেওয়া হল।
আরও পড়ুনঃ এবার নয়া কৌশলে উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে খননের চেষ্টা, উদ্ধারে তদারকি ধামীর
কুণালের তোপে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পরামর্শদাতা’রা, যাঁদের জন্যই সরকারকে রোজ বেইজ্জত হতে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে পিসি-ভাইপোর মধ্য়ে লড়াইয়ের কোনও ব্যাপার নেই সেটাকেই জানিয়ে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। সেই সঙ্গেই বয়সকে গুরুত্ব না দেওয়া নিয়ে নেত্রীর মতামত নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কুণাল।
এখানেই থামেননি কুণাল। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সভাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কোনও ছবি ছিল না। এদিকে চোখের সমস্যার জন্য় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও ছিলেন না মিটিংয়ে। তবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কিছুক্ষণের জন্য অভিষেক ছিলেন।




