খবর লাইভ : রেশন দুর্নীতিতে চঞ্চল্যকর তথ্য। ইডির দাবি, ডিস্ট্রিবিউটরদের মধ্যেই অনেকেই রেশন দোকানের মালিক বা ডিলার। ফলে রেশন দুর্নীতি হলেও অনেকেই রেশন দোকানের মালিক ও ডিস্ট্রিবিউটর একই ব্যক্তি হওয়াতে অভিযোগ জানাতেন না।
ইডির দাবি, জেলা জুড়ে এমন অনেক ডিস্ট্রিবিউটর রয়েছেন যাঁরা নিজেরাই রেশন দোকানের মালিক বা ডিলার। দুর্নীতির টাকাতেই কি ডিস্ট্রিবিউটররা ধীরে ধীরে রেশন দোকানের মালিক হয়েছিল? তদন্তে ইডি। এই রকম কত ডিস্ট্রিবিউটর রয়েছে জেলা জুড়ে তার তালিকা তৈরি করছে ইডি। ইডি এদেরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।
আরও পড়ুনঃ ৪০ লক্ষ টাকার গয়না হাতাতেই খুন কোলাঘাটের স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমীর
জানা গিয়েছে, ইডির তল্লাশির সময় রেশন দুর্নীতিতে বাজেয়াপ্ত করা নথির মধ্যে মিলেছে “cash payments made to distributors” লেখা নথি। বাকিবুর চুরির আটা ডিস্ট্রিবিউটরদের কত কোটি টাকায় দিচ্ছে সেই হিসেব নিজের কাছে রাখত। ইডির দাবি, এই অর্থের পরিমাণ কোটি কোটি টাকা।একইসঙ্গে রেশন দুর্নীতিতে বাজেয়াপ্ত হওয়া নথির মধ্যে মিলেছে “open market sale of pds Ration” লেখা হিসাবের নথিও।
ইডির দাবি, খোলা বাজারে চুরির আটা কার কাছে কত বিক্রি হচ্ছে তার হিসেব রাখত বাকিবুর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের আরও দাবি, বাকিবুরের মতো মিল মালিকরা ডিস্ট্রিবিউটরদের কোটি কোটি টাকা দিয়েছে। মিল মালিক, ডিস্ট্রিবিউটর আর কিছু ব্যক্তি মিলে যোগসাজশ করে সাধারণ উপভোক্তাদের জন্য প্রাপ্য রেশন লুঠ করেছে। তদন্তে রেশন চুরি চক্রে যুক্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের নামও ইডির হাতে এসেছে।




