খবর লাইভ : প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় গৌতম এবং পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কথাও বলেছিলেন বিচারপতি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন পর্ষদ-সভাপতি। সোমবার সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, যদি তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করা হয়, তা হলে গ্রেফতারের আশঙ্কা কেন?
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর নির্দেশ, হাইকোর্টের নির্দেশ মতো তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাবে বলেও জানিয়েছে আদালত। শুক্রবার গৌতম পালের আইনজীবী আদালতে জানান, এই দুর্নীতির প্রসঙ্গে তাঁর মক্কেল কিছুই জানেন না। গত বছর ২৪ অগস্ট তিনি পর্ষদের দায়িত্ব নিয়েছেন। আইনজীবীর ওই বক্তব্য শোনার পরেই গৌতমকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানাল সুপ্রিম কোর্ট।
পরবর্তী শুনানি অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গৌতম পালকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একইভাবে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও।
আরও পড়ুনঃ ফের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জ্যোতিপ্রিয়র!
রাজ্যে ২০১৪ সালে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা (টেট)-র উত্তরপত্র (ওএমআরশিট) দেখে নম্বর দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’ নামে একটি সংস্থাকে। সেই সংস্থার কর্তা কৌশিক মাজিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এর পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে টেটের খাতা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।




