National Special News Special Reports

ভারতীয়দের ব্যক্তিগত, আধারের তথ্য বিক্রি হয়ে গিয়েছে! পাওয়া যাচ্ছে ডার্ক ওয়েবে

0
(0)

খবর লাইভ : ৮০ কোটির বেশি ভারতীয় নাগরিকের ব্যক্তিগত, আধারের তথ্য বিক্রির জন্য পাওয়া যাচ্ছে ডার্ক ওয়েবে। একটি মার্কিন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার রিপোর্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ হয়েছে। ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যাচ্ছে আধার এবং পাসপোর্টের তথ্য, নাম, ফোন নম্বর, ঠিকানা সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য। বিক্রির জন্য এই তথ্য আপলোড করা হয়ছে ডার্ক ওয়েবে।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআরে থাকা নাগরিকদের নানান গোপনীয় এবং স্পর্শকাতর তথ্যও অনলাইনে ফাঁস হয়েছে বলে খবর। মোট সাড়ে ৮১ কোটি ভারতবাসীর ব্যক্তিগত তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা।
মার্কিন সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর ডার্ক ওয়েবে একটি পোষ্ট করা হয়। ভারতীয় নাগরিকদের আধার ও পাসপোর্টের তথ্য বিক্রির কথা বলা হয় সেই পোষ্টে। সাড়ে ৮১ কোটি ভারতীয় নাগরিকের তথ্যের জন্য ৮০,০০০ ডলার দাম চাওয়া হয়। তবে ভারতের স্পর্শকাতর ও গোপনীয় তথ্য ফাঁসের ঘটনা এই প্রথম নয়। গত আগস্টে ভারতের অজানা একটি তদন্তকারী সংস্থার তথ্য বিক্রির পোষ্ট করা হয় ডার্ক ওয়েবে। সেই তথ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১.৮ টেরাবাইট। ২০২২ সালের আগস্টে আধার কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ ইউআইডিএআই এর কাজ পরীক্ষা করে সিএজি। পরে রিপোর্টে জানানো হয়, তথ্যের সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ রেশন দুর্নীতিতে বালুর ‘সঙ্গী’ ছিলেন আরও কয়েক জন বাকিবুর! দাবি ইডির
২০০৯ সালে চালু করা হয় আধার। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৪০ কোটি আধার কার্ড বিলি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার তথা ইউআইডিএআই। আধার এবং পাসপোর্টের তথ্য ফাঁস হওয়া এবং তা বিক্রির জন্য ডার্ক ওয়েবে আসা, দেশের তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এই সমস্ত তথ্য ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে কিনে নিয়ে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি অর্থাৎ অনলাইন ব্যঙ্কিং পদ্ধতিতে প্রতারণা, আয়কর রিটার্নের নামে প্রতারণা থেকে শুরু করে নানান সাইবার অপরাধ সংগঠিত করা হচ্ছে।
ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে নাম, বাবার নাম, ফোন নম্বর, বাবার নম্বর, ফোন নম্বর, অন্যান্য নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, আধার নম্বর, বয়স,লিঙ্গ, ঠিকানা, জেলা, পিনকোড এবং রাজ্য। দেশে তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। কেন্দ্রীয় সরকার তথ্যের সুরক্ষা রক্ষা করতে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ বিরোধীদের। এর আগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনার সময় চালু করা কোউইন পোর্টাল থেকেও নাগরিকদের তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও তা স্বীকার করেনি মোদি সরকার। এবার ভারতীয় নাগরিকেদর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়েও কোনও মন্তব্য করেনি কেন্দ্র।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *