খবর লাইভ :খবরের শিরোনামে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আর্থিক সুবিধা নিয়ে লোকসভায় আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুখ খোলার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ব্যবসায়ী হিরানন্দানি তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে একটি হলফনামা জমা করেছেন। এই নিয়ে এবার পালটা মুখ খুললেন কৃষ্ণনগরের লোকসভা সাংসদ।
দু’পাতার একটি প্রেস রিলিজ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। যেখানে মহুয়া মৈত্রর দাবি, ‘প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে বাধ্য করা হয়েছে একটি সাদা পাতায় সই করতে।’ কড়া ভাষায় লেখা ওই প্রেস বিবৃতিতে মহুয়া মৈত্র দর্শন হিরানন্দানির হলফনামার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘লোকসভার এথিক্স কমিটিতে জমা করা ওই হলফনামা আসলে একটি লেটারহেড ছাড়া সাদা কাগজ। আর সংবাদমাধ্যমে লিক হওয়া ছাড়া এই হলফনামার কোনও উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।’
আরও পড়ুনঃ লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা
বৃহস্পতিবার সংসদীয় এথিক্স কমিটির কাছে হলফনামা জমা দিয়েছেন দুবাইস্থিত ওই ব্যবসায়ী। সেখানেই তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনে নিজের স্বপক্ষে প্রশ্ন তুলতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়াই তাঁকে নিজের সংসদের লগইন ও পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন।
পাল্টা মুখ খুলেছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। হীরানন্দানির দাবিকে ‘একটা মশকরা’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘হলফনামার বয়ান খসড়া করে পিএমও-এর তরফে পাঠানো হয়েছিল, যাতে হীরানন্দানি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছেন।’
হীরানন্দানি তাঁর হলফনামায় বলেছেন, ‘আদানি গোষ্ঠীকে বোরে করে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করা যাবে এমন সব প্রশ্ন তিনি তৈরি করে সংসদে তোলায় বিষয়টি স্থির করেছিলেন। আদানি গোষ্ঠীকে আক্রমণের জন্য তাঁকে সমর্থন করাতে আমাকে অনুরোধ করেছিলেন মহুয়া। তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে আমার সঙ্গে তাঁর ইমেল আইডি শেয়ার করেছেন, যাতে আমি তাঁকে তথ্য পাঠাতে পারি এবং তিনি সংসদে সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন তুলতে পারেন। আমি তার প্রস্তাব মেনে নিয়েছিলাম।।’




