খবর লাইভ : মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি লেখার পরে ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উল্টো দিকে এই ঘটনায় এ বার মোদী সরকার ও আদানি গোষ্ঠী জড়িয়ে পড়েছে। জয় অনন্ত দেহাদ্রাই নামে যে আইনজীবী মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই ও বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তকে চিঠি লিখেছিলেন, তিনি মহুয়ার এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে জানা গিয়েছে।মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগের ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব সতর্ক ভাবে পা ফেলছেন।
আরও পড়ুনঃ মিজোরামে কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পাঁচ বারের মুখ্যমন্ত্রী লাল থানহাওলা
আদানি গোষ্ঠীর মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে বলেছে, ‘জয় অনন্ত দেহাদ্রাই সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছেন, মহুয়া মৈত্র ও দর্শন হীরানন্দানি নির্দিষ্ট ভাবে গৌতম আদানি ও তাঁর সংস্থাকে নিশানা করেছিলেন।…এই ঘটনাক্রম আমাদের ৯ অক্টোবরের বিবৃতিতেই সিলমোহর দিচ্ছে, যেখানে আমরা বলেছিলাম, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী আমাদের সুনাম, বাজারে অবস্থান নষ্ট করার চেষ্ট করছে।’
আজ মহুয়া মৈত্র তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যে, মানহানিকর অভিযোগ’ তোলার জন্য বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত ও আইনজীবী জয় অনন্তকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন।
তৃণমূলের লোকসভায় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির অভিযোগের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছিলেন। মহুয়া নিজে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের জবাব দিচ্ছেন বলে জানিয়েছিলেন। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার সঞ্জয় রাউত, জেডিইউ নেতা নীরজ কুমার মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাউত বলেছেন, ‘‘কেউ আদানি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, বিজেপির তা হজম হচ্ছে না। বিজেপি মহুয়ার মনোবল ভাঙতে চাইছে।’’
মহুয়া যে শিল্পপতিকে লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ, সেই দর্শন হীরানন্দানি বর্তমানে হীরানন্দানি গোষ্ঠীর সিইও। তাঁদের তথ্যভান্ডার বা ডেটা, জ্বালানির ব্যবসার জন্যও সংস্থা রয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, মহুয়া ২০২২-এ বিভিন্ন অ্যাপ নিষিদ্ধ করা, অ্যাপ থেকে বিদেশে তথ্য চুরি যাওয়া, তথ্যভান্ডারকে এ দেশে রাখা নিয়ে সরকারের নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ওই শিল্পপতিও তাঁর কাছে একই দরবার করেছিলেন। সেই ভাষাতেই মহুয়া সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন।




