খবর লাইভ : কিছুদিন আগেই বাংলা সফরে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। মোট তিনটি কর্মসূচিতে দিলীপের সঙ্গে নড্ডার সাক্ষাৎ হয়েছে। তবে প্রাক্তন সহ-সভাপতির সঙ্গে সভাপতির কোনও ব্যক্তিগত আলাপচারিতা বা আলাদা বৈঠক হয়নি। রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক এবং সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে নড্ডার বৈঠকে নিয়মমাফিক হাজির ছিলেন দিলীপ। সেখানেও নাকি তিনি বিশেষ কথা বলেননি। সাধারণত তিনি সাংগঠনিক বৈঠকে সরব থাকলেও গত শনিবার ও রবিবার নিউ টাউনের হোটেলে বৈঠকে চুপচাপই ছিলেন। যা দেখে অনেকেরই মনে হয়েছে, দিলীপ কিছুটা ‘অভিমানী’ হয়ে রয়েছেন।
গত ২৯ জুলাই দিলীপকে দলীয় পদ থেকে ‘মুক্তি’ দেওয়া হয়। তাঁর একমাত্র পরিচয় হয়ে যায় মেদিনীপুরের সাংসদ। কেন দিলীপকে দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল, তার কোনও কারণ কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ ঠাকুরপুকুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল পুলকার, আহত ২ স্কুল পড়ুয়া
বুধবার রাতে এসেছিল অমিত শাহের ফোন। বৃহস্পতিবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই নিজের বাসভবনে দিলীপের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ৩১ জুন দিলীপকে ‘সেন্সর’ করেছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সে বার নড্ডা নয়, তাঁর হয়ে চিঠি পাঠান দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সদর দফতরের ভারপ্রাপ্ত নেতা অরুণ সিংহ। সেই চিঠি দিলীপকে পাঠানোর আগে প্রকাশ্যেও আনা হয়। গোটা ঘটনাপ্রবাহে ‘ক্ষুণ্ণ’ হয়েছিলেন দিলীপ।




