খবর লাইভ : তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের তুমুল বাকযুদ্ধে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কাদা ছোড়াছুড়ি এমন পর্যায়ে গিয়েছে, যে SIR ইস্যুতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যে চটে লাল শ্রীরামপুরের বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা বালুরঘাটের BJP সাংসদকে আক্রমণ করতে গিয়ে ‘তুই তোকারি’ পর্যন্ত করেছেন কল্যাণ। তৃণমূল সাংসদকেও কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কল্যাণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে কালই শ্রীরামপুরে যাচ্ছেন সুকান্ত।
কী বলেছেন সুকান্ত মজুমদার? তিনি বলেছিলেন, “SIR নিয়ে কোনও গন্ডগোল হলে রাস্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামবে, গুলি চলবে।” এরই পাল্টা তাঁকে আক্রমণ শানিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “একটা ভোটারকে বাদ দিয়ে দেখুক না নির্বাচন কমিশন, স্তব্ধ করে দেব। ওই যে ছোঁড়াটা যে মন্ত্রী হয়েছে, দেখ না CISF যে গুলি নিয়ে চলে…ওই গুলি তোর বুকে লেগে যাবে। ওর মস্তানি বের করে দেব।বালুরঘাটে সেবার ১০ হাজার ভোটে জিতেছে। এবার দেখছি আমরা…বাংলার মানুষকে চিনিস না….উত্তরপ্রদেশ দেখাস! দু’চারটে সুকান্ত হাওয়া দিয়ে উড়ে যাবে। মাটি জীবনে দেখেছে? অফিসে বসে প্রেসের কাছে বক্তৃতা দিচ্ছে, আয় না আমাদের কাছে বক্তৃতা দিতে। আয় তুই শ্রীরামপুরে! তারপর তুই ঘরে ফিরে যাস কীভাবে দেখব!”
যদিও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন হুঁশিয়ারির পাল্টা কড়া জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। তিনি এদিন বলেন, “একজন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে গুলি করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এর থেকে বোঝা যায় ওনার মানসিক স্থিতি কী আছে! এদের অবসরেরও বয়স পার হয়ে গেছে। এদের এখন বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো উচিত। বাচ্চাদের মতো কথা বলে, কখন কী বলে তার কোনও ঠিক নেই।”
তিনি আরও বলেন, “অভিষেক ব্যানার্জিতো এদের ঝেঁটিয়ে বিদেয় করবে দল থেকে। ওনার কত দম আছে তা আমার জানা আছে! পুলিশ সরে যাক না…বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেন না। মার খেয়ে মরে যাবে পাবিলকের! এত পয়সা খেয়েছে! বুড়ো বয়সে এমন সব কাজ করেছেন যে ক্যামেরার সামনে বলা যায় না। আমি ওনার চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছি, আমি কালই যাচ্ছি ওর এলাকায়। দেখি না কী করে! কত বড় বাপের ব্যাটা হয়েছে দেখব।”




