খবর লাইভ : দাড়িভিটকাণ্ডের পাঁচ বছর পর অবশেষে ঘটনার তদন্তভার নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। শনিবার নিহত দুই ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এনআইএ-র আধিকারিকরা। গত ১০ মে এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।দাড়িভিটে আসেন এনআইএ-র পাঁচ সদস্যের একটি টিম।
আরও পড়ুনঃ ব্যারাকপুর কাণ্ডে অর্জুন-সৌগতর বাকযুদ্ধে ‘বিড়ম্বনা’ বেড়েছে শাসকদলের অন্দরে
২০১৮-র ২০ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট। ছাত্র-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে দাড়িভিট হাইস্কুল চত্বর। মৃত্যু হয় রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মন নামে ২ প্রাক্তন ছাত্রের।
পুলিশের গুলিতে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। প্রথম থেকেই এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব ছিল মৃতের পরিবার। কিন্তু ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে দেয় রাজ্য সরকার।
যদিও মৃত দুই ছাত্রের পরিবার সেই তদন্তে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। উল্টে দুই ছাত্রের মৃতদেহ দাহ না করে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে নদীর ধারে সমাধিস্থ করে রাখা হয়। এই প্রেক্ষাপটে চলতি মাসের ১০ মে, দাড়িভিটকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।
রাজ্য বিজেপি-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “বাংলা ভাষার শিক্ষক চেয়ে কোনও ছাত্র গুলি খেতে পারে, এই ধরনের অমানবিক ঘটনা সারা পৃথিবীতে কোথাও ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। যাঁরা ভাষা আন্দোলনের কথা বলেন, সেই বুদ্ধিজীবীরা কিনতু দাড়িভিটের ঘটনায় মোমবাতি জ্বালাননি। সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী ধারাবাহিকভাবে ওদের সঙ্গে আছেন। তাঁর আন্দোলনের ফলেই আজ এনআইএ তদন্ত হচ্ছে। আশা করি আসল সত্যটা বেরিয়ে আসবে।” শনিবার প্রায় এক ঘণ্টা দাড়িভিটে ছিলেন এনআইএ-র আধিকারিকরা।




