খবর লাইভ : পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল এলাকায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে কয়েক জন গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ওই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি করেন। পাশাপাশি, শুভেন্দুর অভিযোগ ওই বাজি কারখানার মালিক ভানু বাগ ‘তৃণমূলের বড় নেতা’। ওই কারখানায় শুধু বাজি নয়, বোমাও তৈরি হত।
শুভেন্দু খাদিকুল ছাড়ার কিছু ক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুইয়াঁ, সাংসদ দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্র। ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তরুণ মাইতিও। এগরার বিস্ফোরণে নিহত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। তৃণমূলের অভিযোগ, এটা বিজেপির কাজ। মন্ত্রী মানস ভুইয়াঁ আবার ‘রাম-বামের’ আঁতাতের অভিযোগ করেন। পরিস্থিতি অশান্ত হতেই ‘কর্মসূচি’ বাতিল করে ফিরে যেতে হয় তৃণমূলের ৬ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলকে।
তাঁরা ঘটনাস্থলের কাছে এসে যখন গ্রামবাসীদের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন, ঠিক সেই সময় পিছন থেকে দলে দলে চলে আসেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে তুলতে মানসদের রাস্তা ঘিরে ধরেন তাঁরা। মানস ও দোলা ভিড় ঠেলে পাশে একটি বাড়িতে নিহত এবং আহতদের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করেন। মানস বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি আমরা। নিহত এবং আহতদের পরিবারের পাশে আছি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বার্তা দিতেই এখানে আসা। কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার ফলিয়ে কিছু লোক চিৎকার করছিল। অকারণে শান্তি বিঘ্নিত করতে চেয়েছে ওরা। আমরা কোনও প্ররোচনায় পা দিইনি।”
বিস্ফোরণের সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন ভানু বাগ। বিস্ফোরণে সামান্য আহতও হয়েছিলেন।তারপরেই গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। ফোন করে ৫-৭জনকে ডেকেও নিয়েছিলেন, দাবি গ্রামবাসীদের।




