Special News Special Reports State

ইডির নজরে সুজয় ভদ্রের মোবাইল ফোন

0
(0)

খবর লাইভ : প্রথমে গোপাল দলপতি, পরে তাপস মণ্ডল – দু’জনেই বলেছিলেন সুজয় ভদ্রের কথা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন মেডিক্যাল টেস্ট করাতে যাওয়ার সময়ে তাপস জানিয়েছিলেন, ‘কাকু’র নাম সুজয় ভদ্র। তার ২৪ ঘণ্টা বাদে প্রকাশ্যে এসেছিলেন বেহালা-নিবাসী সেই সুজয়। এবার ইডির নজরে সুজয় ভদ্রের মেবাইল ফোন।সুজয় জানান,এর আগে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। ইডি তলব করলেও তখন তাঁর স্ত্রী অসুস্থ থাকায় হাজিরা দিতে পারেননি।

আরও পড়ুন : তাণ্ডব শুরু মোচার! বৃষ্টির লেশমাত্র নেই বাংলায়
কোনও তদন্তকারী সংস্থা ফের তাঁকে ডাকলে, হাজিরা দেবেন। তবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য কারও কাছ থেকে তিনি টাকা নেননি বলে দাবি সুজয়ের।এর আগে গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গাঙ্গুলির দাবি ছিল, নিয়োগ মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষ তাঁর কাছ থেকে টাকা চেয়ে তাগাদা দিতেন। যদিও গোপাল জানিয়েছিলেন, এই ব্যক্তির নাম তাঁর জানা নেই।
তিনি বলেন, ‘তাপস মণ্ডলকে আমি চিনি না। আমার কর্মস্থল নিউ আলিপুর। আমার নাম কেন জড়ানো হচ্ছে, কী করে বলব? যারা বলছে, তারাই এর ব্যাখ্যা দিতে পারবে। তাপস মণ্ডল তো বলেছেন যে আমাকে চেনেন না। গোপাল দলপতিও বলেছেন, চেনেন না। কুন্তল যদি বলেন, আমাকে টাকা দিয়েছেন – তখন উত্তর দেবো।
‘সুজয়ের পাল্টা প্রশ্ন, ‘আমার কাছে কেন কেউ টাকা দিতে আসবে? আমি যদি চাকরি দিতে পারতাম, তা হলে আমার মেজদার মেয়ের চাকরির ব্যবস্থা করতাম। ওর ৪১ বছর বয়স। এমএ-বিএড পাশ, টেট দিয়েছে, চাকরি পায়নি। আমার একমাত্র মেয়ে গ্রুপ-সির জন্য এসএসসির পরীক্ষা দিয়েছে। চাকরি হয়নি।’তাঁর মন্তব্য, ‘আমার যিনি সাহেব, তাঁকে কেউ ছুঁতে পারবে না, ফোনে যোগাযোগ করতে পারবে না, কাছাকাছি যেতে পারবে না। আমার কাছে এসেই তাই থামতে হচ্ছে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *