খবর লাইভ : রুশ প্রেসিডেন্টের ক্রেমলিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘শেষ করে দেওয়া’ ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প বাকি রইল না, টেলিগ্রাম চ্যানেলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভের। শুধু ভোলোদিমির জেলেনস্কি নন, মেদভেদেভের কথায় এবার জেলেনস্কির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বৃত্তের লোকজনকেও একই ভাবে ‘নিকেশ’ করার হুঙ্কার ধরা পড়েছে।
আরও পড়ুনঃ সূর্য-ঈশান দাপটে পাঞ্জাবকে ৬ উইকেটে হারাল মুম্বই
মেদভেদেভের টেলিগ্রাম চ্যানেলের বার্তা উদ্ধৃত বলেছে, ‘আজ যে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে, তার পর জেলেন্সিক ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের লোকজনকে সম্পূর্ণ শেষ করে দেওয়া ছাড়া আরও কোনও রাস্তা খোলা রইল না।’ তাঁর কথায়, বিনা শর্তে আত্মসমর্পণের জন্য কিছু সই করতেও জেলেনস্কির প্রয়োজন নেই। মেদভেদেভের দাবি, ‘যা জানা যায়, হিটলার নিজেও কোনও এমন কিছুতে সই করেননি। কোনও না কোনও বিকল্প থাকবেনই।’রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ডেপুটি চেয়ারম্যানের এমন দাবির কিছু আগেই মস্কো জানিয়েছিল, তাদের প্রেসিডেন্ট অর্থাৎ ভ্লাদিমির পুতিনকে গুপ্তহত্যার জন্য ড্রোন পাঠিয়েছিল ইউক্রেনের। পুতিনের ক্রেমলিনের বাসভবনের উদ্দেশে আসা অন্তত দুটি ড্রোন গুলি করে ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করে মস্কো। বিষয়টিকে জঙ্গি আক্রমণ বলে চিহ্নিত করেছে রাশিয়া। তারপরই হুঙ্কার মেদভেদেভের।
রুশ প্রেসিডেন্টের আধিকারিকদের মতে, গভীর রাতে ড্রোন পাঠিয়ে ক্রেমলিনে পুতিনের বাসভবনে আক্রমণ হানার ছক কষেছিল ইউক্রেন। তবে পুতিন অক্ষত রয়েছেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্র পেসকভ বলেন, ‘আসলে মঙ্গলবার রাতের হামলার সময় রুশ রাষ্ট্রপ্রধান ক্রেমলিনে ছিলেনই না।’ এই মুহূর্তে মস্কোর কাছে নিজের বাসভবন থেকে কাজ করছেন পুতিন। তাঁর সমস্ত কর্মসূচি পুরোপুরি অপরিবর্তিত, এও দাবি করা হয়েছে। তবে ক্রেমলিনের তরফে দাবি করা হয়, যে ড্রোনগুলি ধ্বংস করা হয়েছে তার মধ্যে বৈদ্যুতিন সমরাস্ত্র ছিল। এই ধরনের হামলার জবাবে মস্কো যে উচিত প্রত্যাঘাত হানার অধিকার রাখে, সেটিও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল বুধবারই। কিন্তু এসবের ফলে তাদের ‘ভিক্টরি ডে প্যারেড’-এ যে কোনও ধাক্কা লাগবে না, তা সুনিশ্চিত করেছে রাশিয়া। পূর্ব নির্ধারিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী সেটি ৯ মে রেড স্কোয়ারেই হবে। রাশিয়া যখন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে এই জঙ্গি হামলার অভিযোগে সরব, তখন ভোলোদিমির জেলেনস্কি সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে বলেন, ‘পুতিন বা মস্কোর উপর কোনও হামলাই আমরা চালায়নি।’ সব মিলিয়ে ফের তুঙ্গে তরজা।




