Special News Special Reports State

শুভেন্দু সহ দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি মান্থা

0
(0)

খবর লাইভ : রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা দলবদলু বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। হাইকোর্টে দ্রুত শুনানি হচ্ছে না, জানিয়ে দু’বার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানায় রাজ্য। শীর্ষ আদালত সেই মামলা হাইকোর্টেই ফেরত পাঠায় এবং দ্রুত শুনানির জন্য নির্দেশ দেয়। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পর্যবেক্ষণ ”সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের আবেদন দেখে মনে হয়েছে যেন মামলাকারির জন্যই শুনানিতে দেরি হয়েছে। কিন্তু এই আদালত দেখেছে যে কোনও পক্ষই দ্রুত শুনানিতে আগ্রহী নয়”। এরপরই হাইকোর্টে শুভেন্দু অধিকারীর সুরক্ষাকবচ এবং কাঁথি দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি মান্থা। নতুন কোন বিচারপতির এজলাসে এই মামলা যায় এখন সেদিকেই নজর সকলের। কারণ, শুভেন্দুর রক্ষাকবচের মামলাটি খুব তাৎপর্যপূর্ণ। মামলার দ্রুত শুনানি হলে বিরোধী দলনেতা রক্ষাকবচ নিয়ে সঙ্কটে পড়তে পারেন বলেও মনে করে আইনজ্ঞদের একটি অংশ।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিচারপতি পার্থসারথি সেন। এবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি খুব তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার মন্তব্য, “দীর্ঘ শুনানি করার সময় এই এজলাসের নেই, আদালতে আরও ৫৩ জন বিচারপতি আছেন, মামলা অন্য কোনও এজলাসে পাঠানো হোক”!

প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দেয়। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন মামলা করতে গেলেও আদালতের অনুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন মান্থা। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। তার প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানায়, রাজ্য সরকারকে আগের নির্দেশে রদবদলের জন্য হাইকোর্টেই আবেদন জানাতে হবে। তারপরই এদিন দুটি মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন মান্থা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *