খবর লাইভ : বিধানসভা নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে কর্নাটকে। গত সোমবার কর্নাটকে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছে বিজেপি। এরপর মঙ্গলবার ইস্তেহার প্রকাশ করল কংগ্রেস। প্রকাশিত ইস্তেহারে কার্যত ঘুরিয়ে শাসকদলকে একহাত নিল হাত নিল গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার কংগ্রেসের তরফে প্রকাশিত প্রতিশ্রুতিপত্রে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার-র মতোই যেসব সংগঠন দেশে হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বার্তা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের নিষিদ্ধ করা হবে। এই তালিকায় রয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বজরং দলও।
আরও পড়ুনঃ আইপিএলের ম্যাচে বিতর্কে জড়িয়ে মোটা অঙ্কের জরিমানা গম্ভীর-কোহলির
মঙ্গলবার প্রকাশিত ইস্তেহারে কংগ্রেসের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ব্যক্তি ও সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কংগ্রেস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি যে আইন ও সংবিধান পবিত্র। বজরং দল, পিএফআই এবং অন্যান্য প্রচারকারী সংগঠনগুলি তা লঙ্ঘন করতে পারবে না। এবং প্রয়োজনে কংগ্রেস এইসব সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে। এর পাশাপাশি বিজেপি সরকারের তরফে ১ বছরের মধ্যে যে সব জনবিরোধী ও অযাচিত আইন পাশ করা হয়েছে তা বাতিল করা হবে। যেমন, মুসলিম সংরক্ষণ আইন। এছাড়াও রাজ্যবাসীদের ২০০ ইউনিট করে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, পরিবারের প্রতি মহিলা প্রধানকে মাসিক ২ হাজার টাকা করে অনুদান, দরিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী পরিবারকে প্রতি মাসে নিজেদের পছন্দসই ১০ কেজি খাদ্যশস্য দান সহ একাধিক জনদরদী প্রকল্প স্থান পেয়েছে কংগ্রেসের ইস্তেহার পত্রে।
তবে কংগ্রেসের ইস্তেহারপত্রে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি। এপ্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির তারকা প্রচারক হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, কংগ্রেস বজরংদলকে নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেছে ইস্তেহার পত্রে। আসলে কংগ্রেসের এই ইস্তফাপত্র হল মুসলিম তুষ্টিকরণপত্র। জিন্না থাকলেও এই ধরনের ইস্তেহারপত্র প্রকাশ করতেন না।




