খবর লাইভ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে ঘটা করে নামিবিয়া থেকে চিতা এনে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানের ছেড়ে নাম কেনার ব্যবস্থা করল মোদি সরকার। পরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এল আরও চিতা। সবমিলিয়ে সংখ্যা দাঁড়াল কুড়ি। এরপর দুই চিতার মৃত্যুতে এই মুহূর্তে রয়েছে ১৮টি চিতা রয়েছে জাতীয় উদ্যানে। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে চিতা প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু সেই চিতার থাকার মত পর্যাপ্ত জায়গা ওই উদ্যানে রয়েছে কি? বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য জায়গা থেকে আনা চিতাগুলি বেড়ে ওঠা বা পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা পাচ্ছে না।
পরিসংখ্যান বলছে, কুনো জাতীয় উদ্যান প্রায় ৭৪৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত । সঙ্গে রয়েছে ৪৮৭ বর্গকিলোমিটারের ‘বাফার জোন’। কিন্তু, একটি চিতার জন্যই প্রায় ১০০ বর্গ কিলোমিটার জায়গা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে এই মুহূর্তে ১৮টি চিতার জন্য কতটা জায়গা প্রয়োজন সেটা একটা সহজ অংক।দ্য ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ডিন তথা বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ যাদবেন্দ্রদেব বিক্রমসিং ঝালার বলছেন মধ্যপ্রদেশের জাতীয় উদ্যানের ওই জায়গা যথাযথ নয়। সংখ্যাবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণীরা যাতে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া, আনুষঙ্গিক বিষয়গুলিতেও গুরুত্ব দিতে হবে। এর আগে দুই চিতার মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে।আজ সোমবার নয়াদিল্লিতে দ্য ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি এই নিয়ে একটি বৈঠক করতে চলেছে বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।




