খবর লাইভ : বর্ষবরণের রাতে কাজ থেকে ফিরছিলেন অঞ্জলি সিংহ। স্কুটি চালিয়ে ফেরার সময় সুলতানপুরী এলাকায় একটি গাড়ি ধাক্কা মারে তাঁকে। তার পর তাঁর দেহ টেনে নিয়ে যায় ১৩ কিলোমিটার। তত ক্ষণে অঞ্জলির দেহ পুরো তালগোল পাকিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়ির চালাচ্ছিলেন দীপক। তাঁর পাশের আসনে ছিলেন মিঠুন। বাকি তিন জন পিছনে আসনে ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মত্ত অবস্থায় ছিলেন অভিযুক্তরা। তাঁদের গাড়ি থেকে একাধিক মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ ইতিমধ্যেই গাড়ির পাঁচ সওয়ারিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতেরা হলেন, দীপক খন্না, অমিত খন্না, মনোজ মিত্তল, কৃষ্ণ এবং মিঠুন। অভিযুক্তদের মধ্যে মনোজ স্থানীয় বিজেপি নেতা। জানা গেছে, গাড়ি চালাচ্ছিলেন দীপক। তাঁর পাশের আসনে ছিলেন মিঠুন। বাকি তিন জন পিছনে আসনে ছিলেন।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দীপক উপলব্ধি করেছিলেন গাড়ির নীচে কিছু একটা আটকে রয়েছে। গাড়িতে বসে থাকা অন্য বন্ধুদের বিষয়টি তিনি জানিয়েওছিলেন। কিন্তু তাঁরা খুব একটা পাত্তা দেননি। বরং গাড়ি থামাতে নিষেধ করেছিলেন। জেরায় এ কথাই জানিয়েছেন দীপক। পুলিশ জানিয়েছে, মত্ত অবস্থায় ছিলেন অভিযুক্তরা। তাঁদের গাড়ি থেকে একাধিক মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গাড়িটি আশুতোষ নামে এক যুবক তাঁর বন্ধু অমিত এবং দীপককে ধার দিয়েছিল। গাড়ির আসল মালিক লোকেশ। তাঁর কাছ থেকেই গাড়িটি বন্ধুদের জন্য নিয়েছিলেন আশুতোষ। অভিযুক্তদের মধ্যে মনোজ স্থানীয় বিজেপি নেতা। তাঁর একটি রেশন দোকান রয়েছে। কৃষ্ণ কনট প্যালেসে স্প্যানিশ কালচারাল সেন্টারে কাজ করেন। মিঠুন পেশায় হেয়ার ড্রেসার। এঁরা প্রত্যেকেই বন্ধু।
জন্টি গ্রামের কাছে অঞ্জলির নগ্ন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর মা রেখার অভিযোগ, অঞ্জলিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “ওর দেহে কোনও পোশাক ছিল না। আমার মেয়ের মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং বিচার চাই।”




