খবর লাইভ : আদালতের নির্দেশে মন্ত্রীকন্যার জায়গায় স্কুলশিক্ষিকার চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা সরকারের বিরুদ্ধে এ বার হাই কোর্টে গেলেন অনামিকা রায়।নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসাবে দাবি করে অনামিকা হাই কোর্টে আর্জি জানিয়েছেন, ববিতার চাকরি বাতিল করে ওই চাকরি তাঁকে দেওয়া হোক।যদিও ২৪ ঘণ্টা আগে ববিতা নিজেই নিজের নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে জানিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন হাই কোর্টের। মঙ্গলবার অনামিকা হাই কোর্টকে জানিয়েছেন, বেশি নম্বর পাওয়ায় তিনিই ওই চাকরির যোগ্য দাবিদার।
‘ববিতা নন, চাকরির প্রকৃত দাবিদার অনামিকা’, দাবি জানিয়ে আদালতে দায়ের হল মামলা । মঙ্গলবারই মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামীকাল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
নিয়োগ মামলায় দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আদালতের নির্দেশে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর চাকরিটি পেয়েছিলেন ববিতা। তবে সম্প্রতি সেই চাকরির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। জানা যায়, স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর কাছে আবেদন করার সময় ববিতার স্নাতক স্তরের শতকরা নম্বর বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। যার ফলে তাঁর ‘অ্যাকাডেমিক স্কোর’ বেড়ে যায়। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার পরেই ববিতা জানিয়েছিলেন, তিনি নিজেই বিষয়টি উচ্চ আদালতের নজরে আনবেন। সেই মতো সোমবারই হাই কোর্টে যান ববিতা। আদালত সূত্রে খবর, তাঁর আবেদন গ্রহণও করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি, ববিতার আবেদনের ভিত্তিতে মামলায় এসএসসি যুক্ত করতেও বলেন বিচারপতি। জানিয়ে দেন, বুধবার ববিতার আবেদনের পরবর্তী শুনানি হবে।
অনামিকার দাবি, ‘ফর্ম পূরণের সময় ববিতা লিখেছিলেন তিনি স্নাতক স্তরে ৮০০ র মধ্যে ৪৪০ পেয়েছেন, ববিতা জানিয়েছিলেন, তিনি শতাংশের হিসাবে ৬০ শতাংশ পেয়েছেন ‘। যদিও দেখা যাচ্ছে যে শতাংশের হিসাবে এটি ৬০ শতাংশের কম অনামিকার দাবি, হিসাব অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রের ববিতার প্রাপ্য নম্বর ৩৩ এর পরিবর্তে ৩১ হওয়া উচিত তাঁর মোট নম্বরও ৭৭ এর পরিবর্তে ৭৫ হওয়া উচিত, দাবি তাঁর। ববিতার চাকরি বাতিলের দাবিতে করা অনামিকার আবেদনটিও বুধবারই হাই কোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চেই শুনানি হবে বলে আদালত সূত্রে খবর। মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিংহের বেঞ্চ অনামিকাকে ওই মামলা দায়েরের অনুমতিও দিয়েছেন।




