খবর লাইভ : সরকারের ভাবমূর্তির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যের বেশ কিছু কর্তা-অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে রাজ্যেরই ‘অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ’ (এসিবি) বা দুর্নীতি দমন শাখা।এই সংখ্যাটা প্রায় ৪০০-র ঘরে পৌঁছনয় কপালে ভাঁজ প্রশাসনের।
কয়েকদিন আগে শিলিগুড়িতে একাধিক আইসি পদমর্যাদার পুলিশকর্তার বাড়িতে চলল অভিযান। রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা সোমবার এই অভিযান চালিয়েছেন। জানা গিয়েছে, দু’জন আইসির বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন মালদা জেলাতে কর্মরত এবং দ্বিতীয় জন এই মুহূর্তে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে রয়েছেন। দুই পুলিশ আধিকারিকই শিলিগুড়িতে থাকেন। দুর্নীতি দমন শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় একই সময়ে ওই দুই পুলিশ আধিকারিকদের বাড়িতে চলে অভিযান। তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। লদার চাঁচল থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুণ্ড ও শিলিগুড়ির মাটিগাড়া থানার আইসি সমীর দেওসার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়েছে।
গত শুক্র ও শনিবার বর্ধমানের কেতুগ্রাম, বর্ধমান শহর, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং উত্তরবঙ্গে অভিযুক্তদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে এসিবি সূত্রের খবর। ওই অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ জন পুলিশ অফিসারও আছেন। জানা গিয়েছে, কিছু কর্তা-অফিসারের বিরুদ্ধে ২০১৯ থেকেই অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করেছিল। এখন কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার অনুমতি মিলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, দুর্নীতিতে যুক্ত অন্তত ৪০০ সরকারি আধিকারিকের তালিকা রয়েছে এসিবি-র হাতে। সেই তালিকায় বড় সংখ্যায় রয়েছেন পুলিশের লোকজন।
অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ডেকে পাঠানোর পরে তাঁরা বিষয়সম্পত্তির তালিকা এবং আয়ের উৎস সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র জমা দিয়েছেন। সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাঁদের কয়েক জনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও নথিপত্র নেওয়া হয়েছে। এক গোয়েন্দাকর্তা জানান, সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাঁদের কয়েক জনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।




