খবর লাইভ : ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার আগে হাওড়ার ডোমজুড়ে মাটি মাফিয়াদের হাতে খুন হন তৎকালীন তৃণমূল নেতা তপন দত্ত। সেই ঘটনায় নাম জড়ায় শাসকদলের একাধিক নেতার। শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। ২০২২ সালে ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সেই ডোমজুড়েই ফের মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে নাজেহাল এলাকার সাধারণ মানুষ। ডোমজুড় থানার নারনা ও জয় চণ্ডীতলায় অবাধে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ চললেও পুলিশ ও প্রশাসন নীরব। যদিও ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রের সতর্কবার্তার পরই সংসদে মাস্ক সংস্কৃতি, কোভিড নিয়ে সচেতন মোদি-ধনকড়রা
ডোমজুড় আছে ডোমজুড়েই। মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদ করে খুন হতে হয়েছিল তৃণমূল নেতা তপন দত্তকে। ওই ঘটনায় তৃণমূলের বেশ কয়েকজন প্রথম সারির নেতার নাম উঠে এসেছিল। প্রথমে সিআইডি তদন্ত শুরু করলেও সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে যার তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই শাসকদলের বেশ কয়েকজন নেতাকে জেরাও করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তারপরেও অবশ্য ডোমজুড়ে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধ হয়নি। এলাকার সাধারণ মানুষকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে নারনা, জয় চণ্ডীতলায় বেআইনিভাবে মাটি কেটে চলেছে মাটি মাফিয়া ফরিদ গায়েন। এলাকার লোকজন প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও সদুত্তর পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, ‘এলাকার দুষ্কৃতী ফরিদ গায়েন নামে এক মাটি মাফিয়ার নেতৃত্বে ডোমজুড় এলাকার বিভিন্ন জায়গায় রমরমিয়ে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ চলছে। পুলিশ ও প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কিছু হয়নি। চাষের জমি থেকে মাটি কেটে যেভাবে দিনের আলোয় পাড়ার মধ্যে দিয়ে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাতে আমরা রীতিমতো আতঙ্কিত।’
এদিকে ফরিদ নামে মাটি মাফিয়া খবর লাইভের সাংবাদিককে খবর না করার জন্য টাকার প্রস্তাব দেন। ডোমজুড় থানার ওসি শুভ্রজিত মজুমদার বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি। ভূমি ও ভূমি-রাজস্ব দফতর তদন্ত করে অভিযোগ জানালে তবেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারব।’
স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ আশ্বাস দিয়েছেন বেআইনি মাটি কাটার কাজ বন্ধ করার।’




