খবর লাইভ : দেশে নতুন করে ফিরছে করোনা-আতঙ্ক। প্রতিবেশি দেশ চিনে করোনার বাড়বাড়ন্ত, বিপুল সংখ্যক মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা, সঙ্গে অসংখ্য মৃত্যু। সব মিলিয়ে সে দেশে পরিস্থিতি অতি সঙ্গিন। আর সেই আবহে আতঙ্কিত ভারতও। তবে শুধু আতঙ্কে ভোগা নয়, পাশাপাশি নতুন করে বড় হয়ে ওঠা করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় দ্রুত সতর্ক হচ্ছে দেশ।
বুধবারই এই বিষয়ে জরুরি একটি বৈঠক হয়ে গিয়েছে। লোকসভায় এ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে আজ, বৃহস্পতিবারও। সেখানে সংসদে আগত সকলকেই মাস্ক পরিহিত দেখা গিয়েছে। ফলে এই আলোচনায় সামিল হয়েছেন সকলেই। উপস্থিত ছিলেন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা, জগদীপ ধনকড়। আলোচনার শুরুতেই স্পিকার সকলকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেন। তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, উপস্থিত সকলেই যেন আগামী দিনে কোভিড-অ্যাপ্রোপ্রিয়েট বিহেভিয়র নিজে আচরণ করেন এবং অন্যকেও তা করতে অনুপ্রাণিত করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, অতীতে করোনা-পরিস্থিতি যে চরমে পৌঁছেছিল, সেটা মনে রেখে আমাদের উচিত হবে, এখনই সব দিক থকে সাবধান হওয়া।
তবে মাস্ক পরার বিষয়ে স্পিকারের দিক থেকে অনুরোধ এলেও, তা এখনও ‘মাস্ট’ করা হয়নি। এদিন বিরোধী দলনেতাদের প্রায় কেউই মাস্ক পরে আসেননি। যদিও এরপর থেকে সংসদে মাস্ক পরেই আসতে হবে বলে জানা গিয়েছে। আজকের বৈঠকে চিন-কাঁপানো বিএফ.সেভেন সাব-ভ্যারিয়্যান্ট নিয়েও আলোচনা হয়। আজ পর্যন্ত নতুন এই ভ্যারিয়্যান্টে মোট চারজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
গত কালই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানিয়েছিলেন, ভারত করোনা-সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য তৈরি। তিনিও আগের মতোই নিয়মিত স্যানিটাইজার ব্যবহার করা, মাস্ক পরা, বিধিসম্মত করোনা টিকা নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট কোভিড প্রোটোকল মেনে চলার কথা বলেছেন। বলেছিলেন সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করার কথা। টেস্ট করা প্রসঙ্গে তিনি জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের কথাও বলেছিলেন। আপাতত ভারতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের ব়্যান্ডম টেস্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


