Special News Special Reports State

আসানসোলে শুভেন্দুর কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে নাবালিকা সহ ৩ জনের মৃত্যু

0
(0)

খবর লাইভ : আসানসোলে শুভেন্দু অধিকারীর সভায় চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে হুড়োহুড়ি। শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চ থেকে বেশ কয়েকজনকে কম্বন বিতরণ করেন। এরপর বিরোধী দলনেতা মঞ্চ ছাড়েন। তখনই কম্বল নিতে হুড়োহুড়ি পরে যায়। চলে ঠেলাঠেলি। তাতেই পদপিষ্ট হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে এক জন শিশু ও ২ জন মহিলা। গুরুতর জখম হয়েছেন ৫ জন।

পুলিশ কমিশনারের অভিযোগ, বুধবার পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের রামকৃষ্ণডাঙায় সভা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীর সভায় কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান করা হবে বলে জানানো হয়নি। ফলে ওই জমায়েতের কোনও অনুমতি ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উদ্যোক্তারা মাইকে বলেন ৫ হাজার কম্বল বিতরণ হবে। বা্তবে এর থেকে অনেক বেশি মানুষ কম্বল নিতে ভিড় করেছিলেন। বিরোধী দলনেতা চলে গেলে ছোট মাঠে কম্বল বিতরণকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা ছড়ায়। তাতেই পদপিষ্ট হয়ে ৩ জনের প্রাণ গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি, সরে দাঁড়ালেন দুই বিচারপতি

মর্মান্তিক পরিণতির জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকেই দায়ী করেছে তৃণমূল।
তাদের বক্তব্য, ‘বিজেপি তারিখের রাজনীতি করছে। এটাই কী ১৪ তারিখের হুঁশিয়ারি ছিল? আসলে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনীতিতে এঁটে না উঠে যা ইচ্ছে তাই করছে শুভেন্দু, সুকান্তরা। তাতেই বাড়ে বাড়ে বিপত্তি ঘটছে। ১২ তারিখের কথা বলছিলেন শুভেন্দু। সেদিন সিবিআই হেফাজতে লালন শেখ মারা গেলেন। আর ১৪ তারিখ কম্বল বিতরণ করতে গিয়ে জমায়েত হল পুলিশের অনুমতি ছাড়া। তাতে ৩ জনের প্রাণ গেল। আসলে বিজেপি পাগলকে দেশলাই দিয়ে দিয়েছে। তাতেই যত বিপত্তি হচ্ছে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোল উত্তর থানার রামকৃষ্ণ ডাঙ্গালে বিজেপি কাউন্সিলর চৈতালি তেওয়ারি শিবচর্চা ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সেই অনুষ্ঠানে কম্বল বিতরণ করতে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু পাঁচজনকে প্রতীকী কম্বল বিতরণ করেন। এরপর  তিনি ওই মঞ্চ থেকে জেলা কার্যালয়ের অভিমুখে রওনা দেন। তিনি চলে যাওয়ার পরই পের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়।আর তাতেই হয় বিপত্তি।
কম্বল নিতে গিয়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায় মানুষজনের মধ্যে। এর জেরেই পদপিষ্ট হয় বেশ কয়েকজন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১২ বছরের ওই নাবালিকাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানাান্তিরিত করা হয়। পরে তারও মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। আহত চারজন আসানসোল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *