খবর লাইভ : বগটুই কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু ঘিরে ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। সিবিআইয়ের ক্যাম্পে থাকাকালীন কীভাবে মৃ*ত্যু হল লালন শেখের ? ঠিক এই প্রশ্ন তুলে উত্তপ্ত গোটা রামপুরহাট । ইতিমধ্যেই সিবিআইকে কাঠগড়ায় তুলে এফআইআর লালনের স্ত্রীয়ের। ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনদিনের সফরে মেঘালয়ে গেছেন মমতা – অভিষেক । মঙ্গলবার কর্মিসভায় বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিক সম্মেলনে লালন প্রসঙ্গ উঠতেই এই ঘটনায় সিবিআই- এর ভুমিকার তীব্র নিন্দা করেন মমতা। তিনি বলেন লালন শেখের স্ত্রী এবং আইআর এর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই গোটা বিষয়টিও নিয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হবে। মমতা এদিন জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে এই ঘটনার জন্য জবাবদিহি করতে হবে। যখন হেফাজতে থাকাকালীন এই ঘটনা ঘটেছে তখন এর দায় সিবিআইকেই নিতে হবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ দিন মেঘালয়ের সভা মঞ্চ থেকে বলেন, “সে সিবিআই কাস্টডিতে কী করে মারা গেল? আমরা ইস্যুটা তুলছি ৷ এফআইআর হয়েছে ইতিমধ্যেই। আমরা ঘটনার নিন্দা করছি৷” তৃণমূল সুপ্রিমোর বক্তব্য যে যথেষ্ট তাৎপর্য বহন করছে তা বলাই বাহুল্য কারণ এই নিয়ে প্রথমবারের জন্য প্রতিক্রিয়া দিলেন তিনি ৷
সোমবার তদন্তের স্বার্থে বগটুই গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল লালন শেখকে। আজ লালন-সহ আরও একজনকে আদালতে তোলার কথা ছিল। তার আগে, গতকাল বিকেলেই সিবিআই ক্যাম্পে উদ্ধার হয় লালনের ঝুলন্ত দেহ। সিবিআইয়ের দাবি আত্মঘাতী হয়েছেন লালন শেখ। তবে লালনের পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। সিবিআয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও রুজু করেছেন তাঁরা। এদিন সিবিআইয়ের ক্যাম্প অফিস কার্যত ঘেরাও করে ফেলেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। এখানেই শেষ নয়, জাতীয় সড়কের উপরে টায়ার জ্বালিয়ে চলে বিক্ষোভ। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে কার্যত ক্যাম্পবন্দি হয়ে পড়েন সিবিআই – এর আধিকারিকেরা।




