International Special News Special Reports

নীতি পুলিশের অবলুপ্তি ইরানে, সামাজিক বিপ্লবেই বেরোল সমাধান!

0
(0)

খবর লাইভ : কটরপন্থা, মধ্যযুগীয় চিন্তা-ভাবনার বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর সাহস দেখিয়েছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু মাহসা আমিনির গ্রেফতারি এবং মৃত্যু (পরিবারের দাবি হত্যা) প্রতিবাদের সেই সুরকে তীব্র করে তোলে। তার পর বিগত দুই মাস ধরে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের সাক্ষী থেকেছে ইরান । গোলাগুলিতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি মৃত্যুদণ্ডের সাজাও জুটেছে কারও কারও কপালে। তার পরেও ভাঁটা পড়েনি হিজাব-বিরোধী আন্দোলনে। সেই কঠোর প্রতিজ্ঞার সুফল পেলেন ইরানের নাগরিকরা। মেয়েদের আচার-আচরণে নজরদারি চালানো, শালীনতা লঙ্ঘনের দোহাই দিয়ে ইচ্ছে মতো শাস্তিপ্রদানে লিপ্ত থাকা নীতি পুলিশের অবলুপ্তি ঘটল সে দেশে ।

আরও পড়ুনঃ ঝালদা পুরসভায় রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করে চিঠি অধীরের

মাহসা আমিনির গ্রেফতারি এবং মৃত্যুর পর একটানা দুই মাস হিজাব বিরোধী আন্দোলন চলে আসছে দেশে। তাতেই শেষমেশ নীতি পুলিশের অবলুপ্তি ঘটানো হল বলে জানা যাচ্ছে।
ইরানে মহিলাদের হিজাব পরা নিয়ে কঠোর আইন বলবৎ রয়েছে। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের চার বছর বছর সে দেশে হিজাব বাধ্যতামূলক হয়।  সঠিক ভাবে সেই বিধি পালন করা হচ্ছে কিনা, তার দেখভালের জন্যই নীতি পুলিশের সূচনা হয় ২০০৬ সালে। ইরানে নীতি পুলিশের পোশাকি নাম ‘গাস্ত-ই-এরশাদ’,বাংলায় তর্জমা করলে যা দাঁড়ায় আচরণ সংক্রান্ত টহলদারি। দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদের আমলে মেয়েদের আচরণ, হিজাব পরার উপর নজরদারি চালাতেই প্রতিষ্ঠা হয় নীতি পুলিশের। তার পর থেকে একাধিক বার এই নীতি পুলিশের বিরুদ্ধে বর্বরতার অভিযোগ উঠেছে। শুরুর দিকে শুধুমাত্র সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হলেও, গ্রেফতার করে ১৫ বছর জেলবন্দি করে রাখার নিদর্শনও রয়েছে। তবে এ বছর সেপ্টেম্বরে নীতি পুলিশ সব সীমা অতিক্রম করে বলে অভিযোগ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *