খবর লাইভ : ‘আমি হাফ প্যান্ট মন্ত্রী হলে শিশির অধিকারী তো লেংটি মন্ত্রী’, ফের বিতর্কিত মন্তব্য অখিল গিরির। পূর্ব মেদিনীপুরে শুভেন্দুর পাল্টা সভা অখিল গিরির । আর সেখানেই শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করতে গিয়ে ফের কুকথা অখিল গিরির। রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এবার ফের বিতর্কিত মন্তব্য অখিলের।
তিনি এবার বলেন, ‘গতকাল থেকে কিছু বোমের আওয়াজ চলছে এই এলাকায়। আতসবাজির আওয়াজ দেখিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভয় দেখানো যাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কাঁথিতে আসছেন, খুব দুঃখ পেয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর ঘরের সামনে মিটিং হচ্ছে, খুব দুঃখ পেয়েছেন।আমাকে বলে হাফ প্যান্ট মন্ত্রী। হাফ প্যান্ট মন্ত্রীর অর্থ ক্যাবিনেট নয়, আমি স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। আমি যদি হাফ প্যান্ট মন্ত্রী হই, তাহলে ওনার বাবা তাহলে কি মন্ত্রী ? শিশির অধিকারীকে দিল্লিতে কি মন্ত্রী করা হয়েছিল জিজ্ঞাসা করব’, পূর্ব মেদিনীপুরের পাউসির সভা থেকে আক্রমণ অখিল গিরির। তবে ‘অখিল গিরির মন্তব্যের কোনও গুরুত্বই নেই’, পাল্টা দিব্যেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ ক্যাসেমিরোর দুরন্ত গোল, সুইজারল্যান্ডেকে ১-০ গোলে হারাল ব্রাজিল
অখিল গিরি বলেন, ‘এই বিশ্বের অষ্টম এবং নবম আশ্চর্য হল শিশির অধিকারী আর দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সাংসদ। দিল্লি থেকে টাকা নিচ্ছে। কিন্তু ভিতরে ভিতরে তৃণমূলের ক্ষতি করে বিজেপি করছে। বুড়ো বয়সে ভীমরতি ধরেছে শিশির অধিকারীর। আগে নাতি-নাতনিকে নিয়ে হাত নেড়ে ঘুরতেন। এখন ছেলের পাল্লায় পড়ে বাবাও মুখ্যমন্ত্রীকে গালাগাল করছে। আমি স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বলে আমাকে হাফপ্যান্ট মন্ত্রী বলা হচ্ছে। তাহলে শিশির অধিকারী কেন্দ্রের কি মন্ত্রী ছিলেন? হাফপ্যান্টের ছোট যেটা হয়, তাকে তো নেংটি বলে। উনি কি তাহলে নেংটি মন্ত্রী ছিলেন?’
এদিকে শুভেন্দুর ‘কাক’ মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে অখিল গিরি বলেন, ‘আমি কাক হই বা ভেড়া হই। আমরা রূপের বিচার করি না গুণের বিচার করি। শুভেন্দু অধিকারীর চামড়াটা শুধু সাদা, ভেতরটা ময়লা। জামা তুলুন পুরো কানস্যার। বিরোধী দলনেতা তৃণমূলকে তোলামূল বলেন। তৃণমূল দলটা ছিল বলেই আপনি বিরোধী দলনেতা হতে পেরেছেন। দিদি আপনাকে সবই দিয়েছিলেন। এমনকী আমাদের কাছ থেকে পদ কেড়ে নিয়ে আপনাকে একসঙ্গে অনেক পদ দিয়েছিলেন দিদি। কিন্তু আপনি দিদির সঙ্গে এবং মানুষের সঙ্গে গদ্দারি করেছেন।’ নিজের ‘ভুল’ প্রসঙ্গে অখিল গিরি বলেন, ‘ভুল মানুষমাত্রেই হয়। আমারও হয়েছিল। কয়েকজনের প্ররোচনায় পা দিয়ে আমি বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলাম। আবার ভুল শুধরে নিয়ে তৃণমূলে ফিরে এসেছি।’




