games Special News Special Reports

শেষ সময়ের জোড়া গোলে কমলা–উচ্ছ্বাস স্টেডিয়াম জুড়ে

0
(0)

খবর লাইভ :

নেদারল্যান্ডস ২ : ০ সেনেগাল

সাদিও মানে নেই। চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন। সেরা খেলোয়াড়কে ছাড়া সেনেগাল প্রায় সাধারণ মানের দল। অথচ সেই সেনেগালের সঙ্গে জিততে নেদারল্যান্ডসের কী কষ্ট! গোল হয় না, গোল হয় না। শেষ পর্যন্ত যখন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের ক্রস থেকে আসা বলে লাফিয়ে দারুণ হেডে ডাচ ফরোয়ার্ড কোডি গাপকো সেনেগালের জালে বল পাঠালেন, ম্যাচের ৮৪ মিনিট পেরিয়ে গেছে।
একবার গোলমুখের রাস্তা খোলার পর অবশ্য আর বেশি অপেক্ষা করেনি নেদারল্যান্ডস। যোগ হওয়া সময়ের শেষ মুহূর্তে ডেভি ক্লাসেনের গোলে ব্যবধান হয় ২-০। তার পরপরই শেষ বাঁশি। সেটা ডাচদের জন্য যতটা না আনন্দের, তার চেয়ে বেশি স্বস্তির। গ্রুপের সেরা দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য এই জয়টা খুব দরকার ছিল ডাচদের। সেনেগালের জন্য হারটা হতাশার তো বটেই। পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য এখন সম্ভবত ওদের মূল লড়াইটা হবে ইকুয়েডরের সঙ্গে।
শুরুটা হয়েছিল সেনেগালের আক্রমণ দিয়েই। তবে সেই আক্রমণ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া কর্নারটি ফিরিয়েই নিজেদের গুছিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় নেদারল্যান্ডস। সত্যিকারের প্রথম গোলের সুযোগটা তৈরি করেছিল তারাই। কোডি গাপকোর ক্রস থেকে সেনেগালের গোলমুখে বলে পা লাগাতে ব্যর্থ হন স্টিভেন বের্গভাইন। ৯ মিনিটে পাপে আবু সিসে বক্সের মাথা থেকে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করেছিলেন বটে, কিন্তু তাঁর শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। তবে ম্যাচের ১১ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত নেদারল্যান্ডস। সেটি ছিল দারুণ একটা সুযোগ। বের্গভাইন ডান প্রান্তে স্টিভেন বের্গহোইসকে বল ঠেলে দিলে তিনি দারুণ এক ক্রস বাড়িয়েছিলেন গোলমুখে। সেখানে বেশ ভালো জায়গায় বল পেয়েছিলেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। কিন্তু তিনি প্রথম সুযোগেই গোলে শট না নিয়ে কারিকুরি করতে গিয়ে এলোমেলো করে ফেলেন। নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় নেদারল্যান্ডস।
রাস্তা খোলার পর অবশ্য আর বেশি অপেক্ষা করেনি নেদারল্যান্ডস। যোগ হওয়া সময়ের শেষ মুহূর্তে ডেভি ক্লাসেনের গোলে ব্যবধান হয় ২-০। তার পরপরই শেষ বাঁশি। সেটা ডাচদের জন্য যতটা না আনন্দের, তার চেয়ে বেশি স্বস্তির। গ্রুপের সেরা দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য এই জয়টা খুব দরকার ছিল ডাচদের। সেনেগালের জন্য হারটা হতাশার তো বটেই। পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য এখন সম্ভবত ওদের মূল লড়াইটা হবে ইকুয়েডরের সঙ্গে।
শুরুটা হয়েছিল সেনেগালের আক্রমণ দিয়েই। তবে সেই আক্রমণ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া কর্নারটি ফিরিয়েই নিজেদের গুছিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় নেদারল্যান্ডস। সত্যিকারের প্রথম গোলের সুযোগটা তৈরি করেছিল তারাই। কোডি গাপকোর ক্রস থেকে সেনেগালের গোলমুখে বলে পা লাগাতে ব্যর্থ হন স্টিভেন বের্গভাইন। ৯ মিনিটে পাপে আবু সিসে বক্সের মাথা থেকে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করেছিলেন বটে, কিন্তু তাঁর শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। তবে ম্যাচের ১১ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত নেদারল্যান্ডস। সেটি ছিল দারুণ একটা সুযোগ। বের্গভাইন ডান প্রান্তে স্টিভেন বের্গহোইসকে বল ঠেলে দিলে তিনি দারুণ এক ক্রস বাড়িয়েছিলেন গোলমুখে। সেখানে বেশ ভালো জায়গায় বল পেয়েছিলেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। কিন্তু তিনি প্রথম সুযোগেই গোলে শট না নিয়ে কারিকুরি করতে গিয়ে এলোমেলো করে ফেলেন। নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় নেদারল্যান্ডস।
প্রথমার্ধে সেনেগালও দাপট দেখিয়েছে। তবে পরিষ্কার কোনো সুযোগ সেভাবে তৈরি করতে পারেনি তারা। ডাচ রক্ষণভাগে ফন ডাইকের নেতৃত্বে ইয়ুরিন টিম্বার, ম্যাথিয়াস ডি লিখট, নাথান আকেদের ডাচ-রক্ষণ সেনেগালের আক্রমণের ঢেউগুলো সামলেছে ভালোভাবেই।
দ্বিতীয়ার্ধে বরং গতি হারিয়েছিল ম্যাচটি। দুই দলই সতর্ক ছিল গোল না খাওয়ার ব্যাপারে। এই অর্ধের শুরুর দিকে ডাচদের তুলনায় সেনেগালই বেশি সুযোগ তৈরি করেছে। গোলও পেতে পারত তারা। ৬৫ মিনিটে বক্সের ডান প্রান্তে বল পেয়ে পাপে গেয়ের নেওয়া শট নেদারল্যান্ডসের অভিষিক্ত গোলকিপার আন্দ্রিস নোপের্ট নিজের বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন। ৭৩ মিনিটে পাপে গেয়ে তিন ডাচ রক্ষণসেনার মধ্য দিয়ে বল নিয়ে গোলে শট নিয়েছিলেন। নোপের্ট ঠেকিয়ে দেন সেটিও।
ওদিকে সেনেগালের রক্ষণ কাঁপিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডস অধিনায়কও। গাকপোর কর্নার থেকে ফন ডাইকের দুর্দান্ত হেড সেনেগালের গোলকিপার এদুয়ার্দো মেন্দির মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। ভিনসেন্ট ইয়ানসেনের জায়গায় নেদারল্যান্ডস কোচ মেম্ফিস ডিপাইকে নামালেও সেনেগালের রক্ষণভাগকে সেভাবে বিপদে ফেলতে পারেননি।
অবশেষে নেদারল্যান্ডসের ভাগ্য খোলে ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে। গাপকো আর ক্লাসেনের গোলে দূর হয় পয়েন্ট হারানোর শঙ্কা।
২৫ নভেম্বর নেদারল্যান্ডস গ্রুপে পরের ম্যাচটা খেলবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে। একই দিনে সেনেগাল খেলবে কাতারের বিপক্ষে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *