Special News Special Reports State

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের খোদ বীরবাহার

0
(0)

খবর লাইভ : আদিবাসী নেত্রী বীরবাহা হাঁসদাকে উদ্দেশ্য করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের জেরে ইতিমধ্যেই উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন খোদ বীরবাহা হাঁসদা। আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বীরবাহার দাবি তাঁকে অপমান করে আদতে তফসিলি উপজাতির মানুষকে অপমান করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে ঝাড়গ্রাম থানায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন বীরবাহা হাঁসদা। এদিন বীরবাহা হাঁসদা বলেন, “আমি ও বিধায়ক দেবনাথ হাঁসদা সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হযেছে তা আমরা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বলেই বলতে পেরেছেন। আদিবাসী হিসেবে বিরোধী দলনেতার এই মন্তব্যকে ধিক্কার ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আজ এফআইআর করেছি এসসি-এসটি অ্যাক্টে।” এদিকে এই ইস্যুতে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যকে বলেন, কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক জায়গায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে এই ধরনের মন্তব্যের প্রতিবাদ করে অভিযোগ দায়ের করছেন। বীরবাহা হাঁসদা হলেন জঙ্গলকন্যা, যিনি আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে উঠে এসে রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। তাঁকে যে ভাষায় কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে তাতে নিন্দার ভাষা নেই। শিশু কমিশনেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে অখিল গিরির  মন্তব্য নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে উত্তাল গোটা রাজ্য। অখিল গিরি তাঁর মন্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন, ক্ষমা চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই মাঝে আর একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে বীরবাহা হাঁসদাদের কটাক্ষ করে বলতে শোনা যায়, “এই যেগুলা বসে আছে সেগুলো শিশু। এই দেবনাথ হাঁসদা, বীরবাহা এরা সব শিশু। আমার জুতোর নীচে থাকে।” শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পর পাল্টা আন্দোলনের পথে হাঁটে তৃণমূল।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *