Special News Special Reports State

ধর্মতলায় অবস্থান প্রত্যাহার করলেন ২০০৯ সালের টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ

0
(0)

খবর লাইভ : শেষ পর্যন্ত ধর্মতলায় অবস্থান প্রত্যাহার করলেন ২০০৯ সালের দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীরা (South 24 Parganas)। টানা ৩৭ দিন আন্দোলন (TET Agitation) প্রত্যাহার করলেন তাঁরা। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট রায় দিতে পারে। তার আগেই এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার চাকরিপ্রার্থীদের (Primary TET)।

চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, ৩৭ দিন টানা অবস্থান চললেও, আসলে ১৩ বছর ধরে তারা লড়াই করে যাচ্ছেন।তাদের দাবি, ২০০৯ সালে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পরীক্ষা দেন। পরে সেই পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়।ফের দ্বিতীয় বারও পরীক্ষা দেন তাঁরা। তার পর ১৩ বছর কেটে গেলেও, চাকরি হয়নি। প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গিয়েছে কিন্তু হয়নি চাকরি।যদিও আদালতের অনুমতি নিয়েই গান্ধী মূর্তির নিচে ধর্মতলায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। তার পর ৩৭ দিন পার হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কাতার বিশ্বকাপে ৬ হাজার আর্জেন্টাইন সমর্থকের স্টেডিয়ামে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা
যত দিন না নিয়োগপত্র পাচ্ছেন, আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। এখন আন্দোলন প্রত্যাহার করা হল কেন? চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, “আমরা আদালত এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিলাম। আসলে ফুটবলের মতো হয়েছিলাম। এদিক, ওদিক ঠেলে দিতেন সকলে। জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়েও সুরাহা হয়নি সমস্যার।”
চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, “গত ১৩ বছরে সোমবারই প্রথম আলোচনার সুযোগ পাই। নবান্ন অভিযানের পরিকল্পনা ছিল। ডিসি সাউথ আমাদের আলোচনার ব্যবস্থা করে দেন। তার পর তৃণমূল মুখপাত্রের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়। উনি জানান, আদালত রায় দিলে আর এক মুহূর্তও দেরি হবে না। সুসম্পন্ন হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া। এক বছরের কাজ এক সপ্তাহে সেরে ফেলা হবে।”বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টেয় রায় শোনাতে পারে হাইকোর্ট। তাই আপাতত ধর্মতলা থেকে সরছেন আন্দোলনকারীরা। তবে ডিপিএসসি অফিসের সামনে বৃহস্পতিবার থেকে নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।এখন দেখার,আদালত কী রায় দেয়।সেই রায়ের ওপরে নির্ভর করছে আন্দোলনকারীদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *