খবর লাইভ : অনশনরত টেট চাকরিপ্রার্থীদের ‘বলপ্রয়োগ’ করে আন্দোলনস্থল থেকে উৎখাত করার ঘটনার সমালোচনা করলেন রাজ্যের বিশিষ্টদের একাংশ। বৃহস্পতিবার রাতে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনস্থল থেকে তুলে দেয়। রাত থেকেই বিভিন্ন নেটমাধ্যমে এ বিষয়ে পোস্ট করতে শুরু করেছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের নাগরিকেরা। যার স্রোত শুক্রবারেও জারি আছে। তারই পাশাপাশি শুক্রবার বিশিষ্টদের একাংশ একটি খোলা চিঠি লিখে ঘটনাপ্রবাহের নিন্দা করেছেন।
বিশিষ্টদের চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘সংবাদমাধ্যমে আমরা দেখেছি যে, অনশনরত চাকরিপ্রার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য কী ভাবে বিধাননগর পুলিশ বলপ্রয়োগ করে তাদের আন্দোলনকে ভাঙার চেষ্টা করেছে। এই ঘটনাকে আমরা ধিক্কার জানাই। এবং পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে মনে করি।’
আরও পড়ুনঃ কেনার আগেই টুইটারের ৭৫ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা মাস্কের
প্রাথমিকের শিক্ষক হিসাবে সরাসরি নিয়োগের দাবিতে গত সোমবার থেকে সল্টলেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অদূরে অনশন-আন্দোলন করছিলেন ২০১৪ সালের টেট চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের দাবি ছিল, যে হেতু তাঁরা টেট উত্তীর্ণ এবং দু’বার ইন্টারভিউও দিয়েছেন, তাই পর্ষদ তাঁদের এ বার সরাসরি চাকরির নিয়োগপত্র দিক। যদিও পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, সরাসরি নিয়োগপত্র দেওয়া হবে না। ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার থেকে ওই আন্দোলনস্থলের অদূরে আরও একটি অবস্থান শুরু করেন ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণেরা।




