খবর লাইভ : শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। তাঁদের জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বের করে আনছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন পার্থ। দল থেকেও তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর দপ্তরের দরজা থেকে নেমপ্লেটও খুলে ফেলা হয়েছে। দলের সঙ্গে প্রাক্তন মন্ত্রীর দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে। অনেক নেতাই তাঁর প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাচ্ছেন। যদিও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অষ্টম শ্রেণির ‘অতীত ও ঐতিহ্য’ বইতে এখনও জ্বলজ্বল করছে পার্থর নাম। বইতে সিঙ্গুর আন্দোলনের উল্লেখ রয়েছে। বাম জমানায় এই আন্দোলনই তৃণমূলকে বিরাট মাইলেজ দিয়েছিল বলে মনে করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সিঙ্গুর আন্দোলন ঠাঁই পেয়েছিল অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে। ‘অতীত ও ঐতিহ্য’ নামক বইটিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, ‘সেই আন্দোলনকে সুসংহত করে তার নেতৃত্ব দিলেন শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা পার্থ চ্যাটার্জী।’ অনুচ্ছেদে পার্থর পাশাপাশি ব্রাত্য বসু, শোভন চট্টোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মুকুল রায়দের নামও রয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর নামের ঠিক পরের লাইনেই রয়েছে পার্থর নাম। এতেই স্পষ্ট দলে পার্থর গুরুত্ব ঠিক কতটা ছিল। কিন্তু আজ প্রাক্তন মন্ত্রীর জন্য দল কিছুটা বেকায়দায়। ইডি হেপাজতে থাকা পার্থর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে তৃণমূল। ষড়যন্ত্রের পালটা অভিযোগ তুলেছেন পার্থ। এমন পরিস্থিতি তৃণমূলের একাংশের পাশাপাশি শিক্ষাবিদদের একাংশও তাঁর নাম পাঠ্য বই থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন। যদিও রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের অধীনস্ত সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার এই প্রসঙ্গে কিছু বলতে অস্বীকার করেছেন।




