খবর লাইভ : মুখ্যমন্ত্রীর (CM Mamata Banerjee) বাড়িতে ঢুকে ধৃত হাফিজুল মোল্লা (Hafijul Mollah) সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য। এদিন আলিপুর আদালতে (Alipore Court) তদন্তকারীরা জানান, ৭ থেকে ৮ বার রেকি করেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকে হাফিজুল। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির তথ্য জানতে এলাকার ছোটদের খাওয়ায় চকোলেট, কোল্ডড্রিঙ্ক। বিহার, ঝাড়খণ্ড ও বাংলাদেশে একাধিকবার ফোন করেছিল হাফিজুল। শুধু তাই নয়, ১১টি সিমকার্ড (Sim Card) ব্যবহার করত হাফিজুল। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এলাকার ছবি তুলে পাঠিয়েছিল হোয়াটসঅ্যাপে। দুর্গাপুজোর বিসর্জনের সময় নদী পেরিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশেও। আলিপুর আদালতে জানালেন তদন্তকারীরা। হাফিজুলের বিরুদ্ধে যুক্ত হল অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারা।
আরও পড়ুনঃ শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশন উদ্বোধন বয়কট শাসকদলের
ধৃত হাফিজুল মোল্লা সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য: ইতিমধ্যেই এই মামলায় সিট গঠন করা হয়েছে। গত ৩ জুলাই অভিযুক্ত হাফিজুল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। এমনকী ওই ব্যক্তির থেকে লোহার রডও উদ্ধার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পাশ থেকে একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই মোবাইল ফোন হাফিজুল মোল্লার। ঘটনার বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এলাকায় একাধিকবার রেকি করেন। রেকি চালাতে গিয়েই এলাকার শিশুদের চকোলেট, কোল্ডড্রিঙ্ক খাইয়ে এলাকার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২ জুলাই কালীঘাটের পটুয়াপাড়া হয়ে, সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে যায় ধৃত হাফিজুল মোল্লা। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এলাকায় ঘোরাঘুরি করার পর। এক সময়, মুখ্যমন্ত্রীর দাদার ঘরের পাশ দিয়ে গার্ডরেল টপকে ভিতরে ঢুকে পড়ে সন্দেহভাজন। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীদের গাড়ির পিছনে লুকিয়ে ছিল অভিযুক্ত। সকালে এক সাফাই কর্মী তাকে দেখতে পান। তিনিই পুলিশে খবর দেন। পুলিশকে দেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্ত। কিন্তু, তাঁকে ধরে ফেলে পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পরে, তুলে দেওয়া হয় কালীঘাট থানার পুলিশের হাতে। পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় লালবাজার। ঘটনার দিন রাত একটা নাগাদ অভিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে প্রবেশ করে। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তাঁকে দেখতে পাওয়ার পর আটক করে পুলিশ। কেন ঢুকল? ধৃতকে জেরা করেই এবার উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।




