খবর লাইভ : বরিস জনসনের ছেড়ে যাওয়া চেয়ারে বসবেন কে? লন্ডনে উঠা আসছে একাধিক নাম। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্রিটেনের সদ্য পদত্যাগী অর্থমন্ত্রী তথা ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি বহুজাতিক ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই ঋষি সুনক।তবে শুধু ঋষিই নন, বরিসের ছেড়ে যাওয়া চেয়ারে বসার দৌড়ে আছেন আরও কয়েক জন।
আরও পড়ুনঃ ‘বাংলার মেধার’ গর্বে উচ্ছ্বসিত মমতা!
তাঁদের মধ্যে অন্যতম, প্রাক্তন লেভেলিং আপ সেক্রেটারি মাইকেল গোভ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী পেনি মোরডন্ট, প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী লিজ ট্রুস, ফরেন অ্যাফেয়ার্স চেয়ার টম টুগেনঢাট, প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস, বর্তমান অর্থমন্ত্রী নাধিন জাহাউয়ি।
যদিও অনেকেই বলছেন আজ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে অশ্বেতাঙ্গ কেউ বসেননি। তাই টোরিরা ঋষিকে নির্বাচিত করলে তা প্রকৃত অর্থেই হবে নয়া ইতিহাস। কারও কারও মতে সেটা অসম্ভব।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বরিস জনসন ঋষিকে নিয়ে আসেন অর্থমন্ত্রী পদে। পরিভাষায় চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার। সেই প্রথম ৪২ বছরের ঋষি ব্রিটেনের মন্ত্রিসভার সদস্য হন।
ঋষি প্রথমে নজরে আসেন অতিমারির সময়। বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় করে সাধারণ মানুষের স্বার্থে একাধিক প্রকল্প শুরু করেন তিনি। প্রসঙ্গত, ইস্তফাপত্রে কী ভাবে অতিমারির সময় বহু মানুষের পেশাগত স্বার্থ রক্ষা করেছিল সরকার, সে কথাও উল্লেখ করেছিলেন ঋষি। সরকারে ঘাড়ে বোঝা চাপলেও এতে বিপুল জনপ্রিয়তা পান তিনি।




