খবর লাইভ : নাম না করে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে জবাব দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ওইদিন ‘আচার্য’-র ক্ষমতাবলে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে মহুয়া মুখোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেন জগদীপ ধনকড়। তারপরেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেন শাসকদলের নেতারা। যেহেতু সদ্য সমাপ্ত বিধানসভার বাদল অধিবেশনে আচার্য বিল পাশ করে রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর উদ্যোগ সম্পন্ন হয়েছে। তাই রাজ্যপালের ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেতারা।
আরও পড়ুনঃ ৭০ জন পড়ুয়া নিয়ে নয়ানজুলিতে উল্টে গেল বাস,গুরুতর জখম ৩০ পড়ুয়া
শনিবার বিবৃতি দিয়ে ধনকড়ের দাবি, ‘বলা হল রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী বা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা না বলেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু ২৪ জুন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু রাজ্যপাল তথা আচার্যের কাছে এ বিষয়ে নোট পাঠিয়েছিলেন।’ ধনকড়ের বক্তব্য, ‘পদাধিকার বলে’ এখনও ওই বিশ্ববিদ্যালয়-সহ রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। রাজ্যপাল আরও লিখেছেন, ‘আচার্য হিসেবে জগদীপ ধনকড় রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্য বিভাগের অধ্যাপিকা মহুয়ামুখোপাধ্যায়কে উপাচার্য পদে নিয়োগ করলেন। ১৯৮১ সালের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় আইনের (১)(বি) ধারা মেনে।’
শিক্ষামন্ত্রী বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছেন, বিধানসভায় বিল পাশের কারণে গত ৩০ জুন ২০২২ তারিখে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, ২৫ জন উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে এই দেশের প্রতিটি নাগরিককে আইন ও বিধিগুলির সঙ্গে বিধানও মেনে চলতে হবে। যদি না আদালত কোনও ঘোষণা করেন। মাননীয় আচার্য ২০১৯ সালের বিধি অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৯ সালের বিধি ও বিধান মেনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ করা হবে। এই বিবৃতিতে একটা জিনিস স্পষ্ট যে রাজ্যপালের নিয়োগ করা রবীন্দ্রভারতীর নতুন উপাচার্য এখনই দায়িত্ব নিতে পারবেন না।




