খবর লাইভ : উদ্বোধনের পরদিনই রক্ত ঝরল পদ্মা সেতুতে। রবিবার সন্ধ্যায় বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। পুলিশ জানিয়েছে, বাইকে চেপে যাওয়ার সময় মোবাইলে ভিডিও তুলছিলেন দুই বন্ধু। তখনই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
রবিবার সন্ধ্যায় পদ্মা সেতুর ২৭ এবং ২৮ নম্বর পিলারের মধ্যে দুর্ঘটনা হয়। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার রাত ১০ টা ৩০ মিনিট নাগাদ তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন দু’জনের শরীরে হৃদস্পন্দন ছিল না। সরকারিভাবে পরে মৃত্যুর খবর ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুনঃ Morning news: সকালের একঝলক
মৃত দুই যুবকের নাম মহম্মদ আলমগীর হোসেন ও মহম্মদ ফজলু। ঢাকা মেডিকেল কলেজের তরফে জানা গেছে, মৃতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
তাঁরা ঢাকার দোহার–নবাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। নিহত আলমগীর মোটরসাইকেল মেরামতের কাজ করেন। আর ফজলু বিদেশে থাকেন। এক মাস আগে দেশে আসেন তিনি।
রবিবার সন্ধ্যায় সেতু বিভাগের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে পদ্মা সেতুতে বাইক ওঠার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল ছ’টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পদ্মা সেতুতে বাইক চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। আজ রোববার ভোর থেকে সেতুতে যান চলাচল শুরু হয়। সকালে যখন পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত থেকে যানবাহন ছেড়ে দেওয়া হয়, তখন টোল দিয়ে হুড়োহুড়ি করে সেতুতে উঠে পড়েন মোটরসাইকেল আরোহীরা। সারা দিনই মোটরসাইকেলে সেতু পার হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। বিকেলে সেতুর জাজিরা প্রান্তে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল দেখা যায়। উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেতুতে বাইক দুর্ঘটনা বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।




