International Special News Special Reports

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসের আগেই ঐতিহাসিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর

0
(0)

খবর লাইভ : আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসের আগেই ঐতিহাসিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর হল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কংগ্রেসে পাশ হওয়া বিলে শনিবার সই করে একে ঐতিহাসিক সাফল্য বলে বর্ণনা করেন। আমেরিকার একের পর এক শহরে বন্দুকবাজদের নির্বিচারে গুলিচালনায় কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে কয়েক দশক ধরে। কিন্তু, ক্যান্ডি বা আইসক্রিম কেনার মতো সহজে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির বাজার খোলা থাকায়, ১৮ বছর বয়সিদেরও পিস্তল-বন্দুক কেনার অধিকার ছিল। এর পিছনে ছিল অস্ত্র কারবারিদের এক বিশাল লবি। কোনও সরকারই দশকের পর দশক ধরে এই আইনে পরিবর্তন আনতে পারেনি। যা করে দেখাল বাইডেন সরকার।

সেনেটে বিল পাশ হওয়ার পর বৃহস্পতিবারই স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি জানিয়ে দিয়েছিলেন, শুক্রবার এই বিল হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে পেশ করা হবে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা আসলে এই বিল তাড়াতাড়ি আইনে পরিণত করতে চাইছেন। কারণ আগামী ৪ জুলাই থেকে কংগ্রেস মুলতুবি হয়ে যাবে।

টেক্সাসের উভালদেতে শিশুদের স্কুলে নৃশংস রক্তবন্যা ও নিউ ইয়র্কের বাফালোতে সুপার মার্কেটে বন্দুকবাজের হামলার পর গোটা দেশ এই আইন কার্যকর করতে এককাট্টা হয়েছিল। বিশেষত শিশুদের হত্যাকাণ্ডের পরই বাইডেন ঘোষণা করেছিলেন, আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব।

হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে শুক্রবারই এই বিল হয়। তারপরই তা প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য হোয়াইট হাউসে আসে। বিলে সই করার পর বাইডেন বলেন, এই আইন দেশের বহু মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করবে। আমি দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা বন্ধ করতে যা চেয়েছি, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ রয়েছে। প্রেসিডেন্ট যখন আইনে স্বাক্ষর করছিলেন, তখন তাঁর পাশে ছিলেন শিক্ষিকা স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। বাইডেন আরও বলেন, ৩০ বছর লেগে গিয়েছে এই আইন বদল করতে। আমি সারাজীবন ধরে এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে এসেছি। শেষমেশ আজ পেরেছি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *