Special News Special Reports

প্রাইভেট টিউশন করার অভিযোগে ৬১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল শিক্ষাদপ্তর

0
(0)

খবর লাইভ : শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে স্কুলের শিক্ষকরা গৃহ শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না। সবার জন্য শিক্ষা ২০০৯ আইন অনুযায়ী কোনও স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসা শিক্ষক নিজেকে টিউশনে যুক্ত করতে পারবেন না। শিক্ষকরা যাতে প্রাইভেট টিউশন না করেন, তার জন্য এর আগেও নির্দেশিকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে প্রতিটি জেলায় নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোনও ভাবেই টিউশন করতে পারবেন না।

আরও পড়ুনঃ মার্কিন মুলুকে বন্দুকবাজের হামলা, এলোপাথাড়ি গুলিতে আহত পুলিশ সহ বহু

যদিও সরকারি নিয়ম না-মেনে প্রাইভেট টিউশন করছেন শিক্ষকদের একাংশ। এই অবস্থায় প্রাইভেট টিউশনি করার অভিযোগে ৬১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল শিক্ষাদপ্তর। ওই প্রাথমিক শিক্ষকরা যে স্কুলে পড়ান, সেই জেলার ডিআইদের তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনপ্রাইভেট টিউশনের অভিযোগে রাজ্যের ৬১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ শিক্ষাদপ্তরের
প্রাইভেট টিউশনের অভিযোগে রাজ্যের ৬১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ শিক্ষাদপ্তরের

শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে স্কুলের শিক্ষকরা গৃহ শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না। সবার জন্য শিক্ষা ২০০৯ আইন অনুযায়ী কোনও স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসা শিক্ষক নিজেকে টিউশনে যুক্ত করতে পারবেন না। শিক্ষকরা যাতে প্রাইভেট টিউশন না করেন, তার জন্য এর আগেও নির্দেশিকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে প্রতিটি জেলায় নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোনও ভাবেই টিউশন করতে পারবেন না।

যদিও সরকারি নিয়ম না-মেনে প্রাইভেট টিউশন করছেন শিক্ষকদের একাংশ। এই অবস্থায় প্রাইভেট টিউশন করার অভিযোগে ৬১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল শিক্ষাদপ্তর। ওই প্রাথমিক শিক্ষকরা যে স্কুলে পড়ান, সেই জেলার ডিআইদের তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্কুলের শিক্ষকরা বেআইনি ভাবে প্রাইভেট টিউশন করছেন বলে অভিযোগ জানিয়ে শিক্ষাদপ্তরের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে জানিয়েছে গৃহশিক্ষকদের একটি সংগঠন। স্মারকলিপির সঙ্গেই গৃহশিক্ষকতা করছেন, এমন সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের নামের তালিকা ও স্কুলের নাম লিখিত আকারে জমা দিয়েছেন ওই সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সব স্তরই রয়েছে। ওই সমস্ত শিক্ষকদের

ওই শিক্ষকরা উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও কোচবিহার জেলার বিভিন্ন স্কুলে পড়ান। স্কুল শিক্ষা ডিরেক্টরেটের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ওই সব জেলার প্রাথমিক শিক্ষার ইন্সপেক্টরদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। ওই চিঠিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কী ব্যবস্থা নেওয়া হল, তা নথি সহকারে শিক্ষাদপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে। যে সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে স্কুল শিক্ষাদপ্তর একই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *