খবর লাইভ : লক্ষ লক্ষ টাকায় ‘প্রাথমিক’ চাকরি। বাগদা রঞ্জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে CBI তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তার থেকেও বড় তথ্য আজ হাইকোর্টে জানালো প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদ জানায়, টেট প্রশ্ন ভুল ছিল ১ টি। তাই প্রশ্ন ভুল অ্যাটেম্পে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ২৬৯ জনকে ১ নম্বর দিয়ে টেট উত্তীর্ণ করা হয়েছিল। এই তথ্যে টেটে কারচুপির জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। প্রাক্তন সিবিআই অধিকর্তা উপেন বিশ্বাসের ফেসবুকে তোলা অভিযোগের ওপর সিবিআই তদন্ত করবে। তদন্তের প্রয়োজনে সিবিআই ২ জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
সিবিআই তদন্তের প্রয়োজনে অন্য কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। ৭ দিনের মধ্যে তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করবে সিবিআই, হাইকোর্টে। আপাতত তদন্তের বাইরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। নির্দেশে জানান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সৌমেন নন্দী মামলা করে হাইকোর্টে আবেদন করেন ২টি। টেট তার মার্কস জানাক পর্ষদ আর দুই, টেট ফেল করে, সাদা খাতা জমা দিয়ে প্রাথমিকে চাকরি পেয়েছে অনেকে।
সিবিআই তদন্ত করে সত্য সামনে আনুক। মামলাকারী আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, হুগলির ৬৮ জন টেট ফেল করে চাকরি পেয়েছে বলে একটি তালিকা আদালতে দেই। আরও একটি তালিকা দিয়ে জানাই, ১৮ জন টেট ফেল অথচ অনেকেই চাকরি পেয়েছে। পাপিয়া মুখার্জি সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছে। আমাদের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে প্রাক্তন সিবিআই অধিকর্তার সোশ্যাল পোস্ট কে সামনে আনি। লক্ষ্মী গুপ্ত, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ আইনজীবী যুক্তিতে জানায়, মামলায় আনা এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই।




