Special News Special Reports

মর্মান্তিক!মায়ের কোল থেকে শিশুকে ছিনিয়ে খুনের অভিযোগ কাকিমার বিরুদ্ধে

0
(0)

খবর লাইভ : মর্মান্তিক ঘটনা। মায়ের কোল থেকে শিশুকন্যাকে প্রথমে ছিনিয়ে নেওয়া হল। তারপর সেই শিশুটিকে আছড়ে মেরে খুন করা হল।আর যিনি খুন করলেন তিনি শিশুটির নিজের কাকিমা! শনিবার এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজারহাট নিউটাউনে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত ইয়াসমিন বেগম(yasmin begum) নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শিশুর এক আত্মীয়া অভিযোগ করেছেন, পারিবারিক ঝামেলা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে।সেই ঝামেলায় পড়ে বাচ্চাটা মারা গেল।শনিবার সকালে এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকা। পুলিশের হাত থেকে অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধরের চেষ্টা করেন স্থানীয়রা।যদিও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেয়।
পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, কোনও বিষয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে এই নিয়ে একপ্রস্থ মারামারিও হয়। থানায় অভিযোগ জানায় দু পক্ষই। এর পর নিহত শিশুর বাবার ওপর ক্ষমা চাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। শুক্রবার রাতে দাবি মেনে ক্ষমা চান তিনি। এর পর দাবি ওঠে ক্ষমা চাইতে হবে তাঁর স্ত্রীকেও। তিনিও দাবি মেনে ক্ষমা চান।

আরও পড়ুন – কোভিড সংক্রমণ বাড়তেই আবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করল মহারাষ্ট্র সরকার

অভিযোগ, তখনই মায়ের কোল থেকে ৮ মাসের শিশুকন্যা নুরজাহাঁ খাতুনকে (nurjaha khatun) ছিনিয়ে নেন তার কাকিমা। এর পর শিশুটিকে ফেরত পেতে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় দুপক্ষের মধ্যে। অভিযোগ, সেই সময় শিশুটিকে আছড়ে ফেলা হয় মাটিতে। এই টানাটানিতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে শিশুটি।তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। শনিবার সকালে ওই হাসপাতলে শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এর পরই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তুমুল উত্তেজনা। অভিযুক্ত ইয়াসমিন বেগমকে মারধর করার চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রাজারহাট (rajarhat police) থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় তাকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। অভিযুক্তের কঠোর সাজার দাবি করেছেন নিহত শিশুর মা।এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *