Special News Special Reports

দলে অনুশাসনের ঘাটতি হচ্ছে এবং তৃণমূলের চরেরা দলে ঢুকে পড়েছে, দাবি রানাঘাটের বিজেপি সাংসদের

0
(0)

খবর লাইভ : তাঁদের দলে অনুশাসনের ঘাটতি হচ্ছে এবং তৃণমূলের চরেরা দলে ঢুকে পড়েছে বলে দাবি করলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

কল্যাণী এমসে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থার চাকরিতে অবৈধ ভাবে লোক ঢোকানোর অভিযোগ রয়েছে জগন্নাথের বিরুদ্ধে। তিনি ছাড়াও বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ও দুই বিজেপি বিধায়কের নাম রয়েছে ওই অভিযুক্তের তালিকায়। সিআই়ডি তার তদন্ত করছে।বৃহস্পতিবার রানাঘাটে সাংবাদিক সম্মেলন করে জগন্নাথ দাবি করেন, এসএসসি-দুর্নীতির তদন্ত থেকে নজর ঘোরাতে ‘মুর্শিদাবাদের এক দুধেল গাই’-কে (তিনি কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের এম ফিলের এক ছাত্র) দিয়ে তৃণমূল অভিযোগ করিয়েছে। কিন্তু দলের ভিতর থেকেও তো তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে? বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকেও তাঁর বিরুদ্ধে নানা কথা পোস্ট করেছেন দলের কর্মীরা।

এই প্রসঙ্গে জগন্নাথ বলেন, “এটা দলের অনুশাসনের ঘাটতির জন্য হচ্ছে। যারাই করুক, সে সত্যিকারের তৃণমূলের চর।” জগন্নাথের ব্যাখ্যা, “ভারতবর্ষে বা অন্য দেশের লোকের মধ্যেও চরবৃত্তির কাজ চলে। র-এর লোক যেমন থাকে, তেমনই বিভিন্ন অন্য সংস্থার গোয়েন্দা সংস্থার লোকও থাকে। তা দলের মধ্যেও কিছু খোচর, কিছু দালাল থাকে। তৃণমূলের মধ্যেও থাকে। বিজেপির মধ্যেও থাকে। একে অপরকে খবর পাস করে।
কিন্তু দলের ভিতর থেকেও তো তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে? বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকেও তাঁর বিরুদ্ধে নানা কথা পোস্ট করেছেন দলের কর্মীরা।

এই প্রসঙ্গে জগন্নাথ বলেন, “এটা দলের অনুশাসনের ঘাটতির জন্য হচ্ছে। যারাই করুক, সে সত্যিকারের তৃণমূলের চর।” জগন্নাথের ব্যাখ্যা, “ভারতবর্ষে বা অন্য দেশের লোকের মধ্যেও চরবৃত্তির কাজ চলে। র-এর লোক যেমন থাকে, তেমনই বিভিন্ন অন্য সংস্থার গোয়েন্দা সংস্থার লোকও থাকে। তা দলের মধ্যেও কিছু খোচর, কিছু দালাল থাকে। তৃণমূলের মধ্যেও থাকে। বিজেপির মধ্যেও থাকে। একে অপরকে খবর পাস করে।”

তৃণমূল অবশ্য এই দাবিকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘চর থাকার দরকার নেই। বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক সহ ৮০ শতাংশ এখন তৃণমূলে আসতে চাইছেন। তাঁরাই দলের কথা বলছেন।’’

কিছু দিন আগেই তানিয়া ভট্টাচার্য নামে বিজেপির এক যুবনেত্রী টিভি ক্যামেরার সামনে সরাসরি জগন্নাথের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। জগন্নাথ পাল্টা তাঁর নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তড়িঘড়ি তাঁকে সংগঠনের পদ থেকে সরিয়েও দেওয়া হয়েছে। আবার, চাকদহ এবং বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়কের যথাক্রমে বৌমা এবং মেয়ে অবৈধ ভাবে এমসে চাকরি পেয়েছেন বলে অমিত শাহের কাছে অভিযোগ করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় নামে বিজেপিরই এক পুরনো কর্মী।

এ দিন জগন্নাথ অবশ্য কারও নাম নেননি। তিনি বলেন, “দলের কোনও বরিষ্ঠ কার্যকর্তা হোক, জনপ্রতিনিধি হোক, কেউ যদি ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ে, নিশ্চিত ভাবে সে বিজেপির হিতাকাঙ্ক্ষী নয়। সে তৃণমূলের দালাল। সেই শ্রেণির লোককে দল থেকে বহিষ্কার করা বা শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। না হলে দলের উন্নতি হয় না।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *