খবর লাইভ: পুরভোট মিটতেই চেনা ছবি ফিরল বাংলার গ্রামীণ রাজনীতিতে। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে দলীয় প্রধানের অপসারণ চেয়ে বিডিওকে অনাস্থাপত্র দিয়েছিলেন তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্যরা।
২০২১-এর বিধানসভা ভোটে রেকর্ড আসনে জয়ের পরও, একাধিক জেলায় বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে দেখা গিয়েছিল এই একই ছবি।
আরও পড়ুন- Abhishek Banerjee: কয়লা-কাণ্ডে ফের অভিষেককে তলব করল ইডি
পুরভোটের আগে মাসখানেক সেই প্রবণতা বন্ধ থাকলেও , পুরভোট মিটতেই সেই চেনা ছবি।উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার কুমড়া গ্রামপঞ্চায়েতে দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ডাকেন তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্যরা।
29 সদস্যের গ্রাম পঞ্চায়েতে বুধবার 24 জন পঞ্চায়েত সদস্য প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেন । শেষ পর্যন্ত অনাস্থার দৌলতে পদ খোয়াতে হলো পঞ্চায়েত প্রধানকে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন পঞ্চায়েত সদস্যরা। মূলত পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও দুর্ব্যবহারের একাধিক অভিযোগ তুলেছেন পঞ্চায়েত সদস্যরা। যদিও অপসারিত পঞ্চায়েত প্রধান সে কথা মানতে চাননি।
অপসারিত পঞ্চায়েত প্রধান রত্না বিশ্বাসের বক্তব্য, আমাদের দলের বেশকিছু সদস্য যারা এই দলটাকে সামনে রেখে দালালি করছে, ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার করছে তাদের ব্যবসায় মন্দা দেখা দেবে বলেই চক্রান্ত করে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি বলছেন , আমি প্রশাসনে থাকলে অনেকেরই ব্যবসায় অসুবিধে হচ্ছিল। তাই পঞ্চায়েত সদস্যদের একত্রিত করে, কুচক্রীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে । যদিও পাল্টা অভিযোগ করেছেন পঞ্চায়েত সদস্যরা। তাদের বক্তব্য , তিনি দল বিরোধী কাজ করেছেন। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও নিজেকে বদলান নি। বরং বিজেপির সঙ্গে তিনি গোপন আঁতাত গড়ে তুলেছিলেন বলে অভিযোগ ।
বিজেপি নেতা পার্থপ্রতিম সরকারের কটাক্ষ, নিজেদের মধ্যেই টাকা তোলা নিয়ে লড়াই । কে টোটো, অটোর টাকা তুলবে, তা নিয়ে লড়াই। তাই আমাদের সঙ্গে আঁতাতের কথা বলে এভাবে নিজেদের দলীয় দুর্নীতি ঢাকা যাবে না।




