খবর লাইভ : বুধবার সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষী দিতে যাওয়ার পথে ভোলা ঘোষের ছেলে এবং গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে গোটা ঘটনার জন্য দায় চাপালেন শাহজাহানের ওপর। তাঁর সাফ কথা, ‘এটা শাহজাহান করিয়েছে। জেলে বসে করিয়েছে।’
শুভেন্দু কার্যত হুংকারের সুরে বলেন, আজ ভোলা ঘোষের ছেলের মৃত্যু হয়েছে। কাল ভোলা ঘোষের মৃত্যু হবে।জেলে বসে ফোন ব্যবহার করে শাহজাহান এই কাজ করেছে। এরই পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল থেকে ফোন করে কথা বলেন। তৃণমূল নেতারা জেলের ভেতরে ফোন ব্যবহার করে। যা খেতে ইচ্ছা হয়, তাই খায়। অনেক রাতে ডিনার নেয়। যতরকম ছবি আছে সব দেখে। পিজির উডবার্ন ওয়ার্ডে মন খারাপ হলে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জেলের সুপাররা খারাপ নন। বেরিয়ে এসে অন্য ফোন থেকে আমাকে জানান যে নেতারা ফোন ব্যবহার করছেন। সিবিআইকে ধন্যবাদ যে তারা ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা সরানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে।
উল্লেখ্য, এদিন সকালে চার চাকার একটি গাড়ি বাসন্তী হাইওয়েতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উলটো দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে পড়ে গাড়িটি। লরিটিও জলে পড়ে। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় চার চাকার গাড়িতে থাকা দু’জনের। আরও দু’জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিনাখাঁ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে ছিলেন ভোলা ঘোষ এবং তাঁর ছোট ছেলে সত্যজিৎ ঘোষ। বসিরহাট আদালতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তাঁরা। অকুস্থলে মারা যান সত্যজিৎ এবং গাড়িচালক শাহানুর মোল্লা।




