Special News Special Reports State

অবশেষে জোরদার শীত রাজ্যে, হুড়মুড়িয়ে নামল পারদ-কনকনে ঠাণ্ডায় কাঁপছে জেলা

0
(0)

খবর লাইভ : অবশেষে জোরদার শীত নেমে এল রাজ্যে। শনিবার মরশুমের সবচেয়ে ঠান্ডা ভোর দেখল কলকাতা। এক ধাক্কায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এল ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এবারের শীতের নতুন রেকর্ড। শুধু মহানগরী নয়, লাগোয়া জেলাগুলিতেও দ্রুত নেমেছে পারদ, অনুভূতি আরও শীতল। পশ্চিমের জেলাগুলি অর্থাৎ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, প্রতিবছরের মতো এবারও জোরালো শীতের দাপট। এক ধাক্কায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

শীতের দাপট বাড়ছে দার্জিলিংয়ে। শনিবার পাহাড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামী সাত দিনের আরও ঠান্ডার পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিংয়ে আগামী বুধবার পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ৫–৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই।

এদিকে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমেছে। এদিন কলকাতার সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর,আগামী সাত দিন রাজ্যের সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। পাশাপাশি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের কিছু জায়গায় ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলার পাশাপাশি মহানগরীর বুকেও কাঁপুনি ধরিয়েছে প্রবল শীত। কলকাতায় শীতের আমেজ ভালোই অনুভূত হয়েছে দিনভর। মহানগরে শনিবার ন্যূনতম তাপমাত্রা ছিল ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা মঙ্গলবারের ২০ ডিগ্রি থেকে দুই দিনে প্রায় ৬ ডিগ্রি কম। এক কথায় রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ, শীতের জোরদার উপস্থিতি স্পষ্ট। দেরিতে এলেও হাড়-কাঁপানো শীতে কার্যত জোবুথবু দশা বঙ্গবাসীর। শীতপ্রেমীদের জন্য সুখবর, আপাতত পারদ নামার সম্ভাবনা আরও রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে আগামী সাত দিন রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারেই নেই। বরং তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে, ফলে রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ আরও বাড়বে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *