খবর লাইভ : উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টিপাতে ধস ও নদীর জলবৃদ্ধির ফলে দুধিয়া এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় তীব্র বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মূল সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় দুই পারের মানুষের যাতায়াত প্রায় বন্ধ। তবে বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দিয়ে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে কাটিয়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, ওই সেতুটি তাঁদেরই একমাত্র যোগাযোগ পথ ছিল। সেতুর এক পাশে দুধিয়া, অন্য পাশে গয়াবাড়ি। সেতু ধসে যাওয়া পরবর্তীতে পারাপারের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
এই পরিস্থিতে দুধিয়ার বাসিন্দা প্রেম লামার জানান, “আমরা গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে বাঁশ ব্যবহার করে সাঁকো বানিয়েছি। নদীর জলস্তর এখন কমেছে, তাই কাজটি সম্ভব হয়েছে।”
গয়াবাড়ির মধু তামাং বলেন, “আমার দিদির বাড়ি দুধিয়ায়। সেতু ভেঙে যাওয়ায় দেখা করতে পারিনি। এখন বাঁশের সাঁকো তৈরি হওয়ায় যেতে পারব।” আর তপন ছেত্রী, মিরিক গ্রামের বাসিন্দা, বলেন, “আমাদের জীবিকা এই সেতুর উপর অনেকটা নির্ভরশীল। এখন অন্তত একটি পথ চালু হয়েছে — অনেকটা স্বস্তি পাওয়া গেছে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা দেবে এবং উক্ত সেতুটি পুনর্নির্মাণে উদ্যোগ নেবে। প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে নতুন সেতুটি তৈরি হতে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগতে পারে।
আসলে সেতু পারাপার করেই তাঁদের যাতায়াত। বিপর্যয়ের পর তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। থমকে গিয়েছিল অনেকের জীবন-জীবিকা। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়েরা নিজেই উদ্যোগী হয়ে আপাতত কাজ চালানোর জন্য বালাসন নদীর উপর দু’টি বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন।




