খবর লাইভ : সলমন রুশদিকে হত্যার চেষ্টায় খুশিতে পঞ্চমুখ ইরানের মানুষ। তেহরানের পথেঘাটে, খবরের কাগজে, মানুষের মুখেমুখে শুক্রবার থেকে একটাই আলোচনা চলছে। ইসলামকে ‘কলঙ্কিত’ করা স্যাটানিক ভার্সেসের লেখককে যে খুন করা যায়নি, তাতেই আফশোস রয়ে গিয়েছে অনেকের। এমনকী হামলাকারী যুবকেও বীরের মর্যাদা দিতে প্রস্তুত অনেকে। আর যাঁরা এই হামলার বিপক্ষে, তাঁরা একপ্রকার মৌনব্রত অবলম্বন করেছেন। কিছুতেই প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা করতে নারাজ।
ইরানের ধর্মগুরু আয়াতোল্লা খোমেইনির মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারির পর প্রায় ৩০ বছর কেটে গিয়েছে। সলমন রুশদিকে লুকিয়ে বেড়াতে হয়েছে। তারপরেও ইরানবাসীর মন থেকে তাঁর প্রতি সেই বিদ্বেষ কমেনি। তা বোঝা গেল প্রৌঢ় মেহরাব বিগদেলির কথায়। মৌলবি হওয়ার জন্য পাঠরত মেহরাব বললেন, এই খবরে আমি তো খুব খুশি। হামলাকারী যেই হোক না কেন, আমি তার করচুম্বন করতে চাই। রুশদিকে নরকে পাঠানো উচিত। আল্লার অভিশাপ ওর উপর ঝরে পড়ুক।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমী দেশগুলি ওকে বাঁচাতে লাখ লাখ ডলার উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু, মুসলিমরা ওকে নরকে পাঠাবেই। প্রসঙ্গত, রুশদির উপর হামলা হয়েছে খুবই স্পর্শকাতর এক সময়ে। কারণ, ইরানের উপর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি আলাপ-আলোচনা চলছে। গত শুক্রবারই ইরান আলোচনার মধ্যস্থতাকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আপসের ব্যাপারে সম্মতি দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু, দেশের ভাবী মৌলবির মতে, অবরোধ তোলার থেকেও খোমেইনির ফতোয়া তামিল করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।




